২৯ তারিখ সেই মামলায় পুলিশ তনয় শাস্ত্রের বাড়ি থেকে তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করে। অভিযোগ উঠেছিল মিমি চক্রবর্তীর মামলার তদন্ত করতে গেলে পুলিশকে মারধর এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার। এই ঘটনায় তনয় শাস্ত্রী ছাড়াও তাঁর ছেলে ও এক প্রতিবেশীকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। গত শনিবার মিমি চক্রবর্তীর মামলায় জামিন হয় তনয় শাস্ত্রীর।
advertisement
তবে পুলিশের মামলায় চার দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জেল হেফাজত শেষে বুধবার তাঁকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচার পুলিশের মামলায়ও জামিন মঞ্জুর করে। পাশাপাশি, তনয় শাস্ত্রী বিরুদ্ধে আরও একটি হুমকি মামলা হয়েছিল। এদিন সেই মামলাও জামিন হয় তনয় শাস্ত্রীর। তনয় শাস্ত্রী সঙ্গে জামিন পান তাঁর ছেলে ও প্রতিবেশী।
আরও পড়ুন: জেলে দিন কাটাচ্ছেন রাজপাল যাদব, কেন জানেন? সাহায্যে এগিয়ে এলেন বলিউডের হাতেগোনা সেলেব
সন্ধ্যায় জামিনে ছাড়া পেয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন তনয় শাস্তি। তনয় বলেন, ‘আইনের উপরে আস্থা ছিল। জামিন পেয়ে বাড়ি যাচ্ছি। স্ট্রং ভেবে এসেছিলাম স্ট্রং ভাবে যাচ্ছি।’
অনিরুদ্ধ কির্তনীয়া
