যুবসাথী প্রকল্পে বেকার ভাতা পাওয়ার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক পাস হতে হবে বলে শর্ত দিয়েছে রাজ্য সরকার৷ যদিও যুবসাথীর লাইনে এমএ পাশ, পিএইচডি সম্পূর্ণ করা উচ্চশিক্ষিত বেকারদেরও প্রচুর সংখ্যায় দেখা যাচ্ছে৷ এমন কি, যুবসাথীর লাইনে দেখা যাচ্ছে ডাক্তারি পড়ুয়াদেরও৷
মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে যুবসাথীর লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন রাজেশ মণ্ডল নামে এমএ পাশ এক যুবক৷ উচ্চশিক্ষার পরেও চাকরি না পাওয়ায় আপাতত যুবসাথী প্রকল্পের ১৫০০ টাকা পাওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন তিনি৷ রাজেশের কথায়, শুধু ভাতা দিলে রহবে না কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করতে হবে৷
advertisement
ওই একই শিবিরে যুবসাথীর আবেদনের লাইনে দাঁড়ানো নার্সিং পাশ করা মিত্রা সরকার, স্নাতক পাশ করে সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া শৌভিক গোস্বামীরাও লাইনে দাঁড়িয়েছেন৷ ইতিমধ্যেই বহরমপুর পৌরসভায় দুদিনে প্রায় দু’হাজার আবেদন জমা পড়েছে বলে জানালেন কাউন্সিলর জয়ন্ত প্রামাণিক। বহরমপুর পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান স্বরূপ সাহা বলেন, এই যুবসাথী প্রকল্পে যুবক যুবতীদের ব্যাপক সাড়া মিলছে। রাজ্যে প্রচুর কর্মসংস্থান বাড়ছে। শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীদের পড়াশোনায় যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেই কারণেই রাজ্য সরকারের এই ভাতা।
শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, পুরুলিয়াতেও যুবসাথীর লাইনে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে গণিতে স্নাতক, এমবিএ পাশ যুবক যুবতীদের৷ ডিএলএড উত্তীর্ণরাও বেকার ভাতার জন্য আবেদন করতে ভিড় করেছন৷ অনেকেই সকাল থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে যুবসাথীর ফর্ম তুলেছেন৷ আবার ঝাড়গ্রামের শিবিরে ছেলেমেয়েরা আসতে না পারায় তাঁদের হয়ে বেশ কয়েক জন অভিভাবককেও যুবসাথীর লাইনে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে৷
সহকারী প্রতিবেদন- প্রণব বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজু সিং
