বনগাঁয় মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘মিছিল আসছে, আমার কাছে ১০ মিনিট সময় চেয়েছিল। আমি কী করব বলুন! আকাশ তো আমার হাতে নেই। প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। আমাকে একাধিক সভা করতে হচ্ছে। যারা আজ ঠাকুর পরিবারে বিভেদ করে ভাবছে ভোটের রাজনীতি করবে, আমি বলছি, বেশি কথা বোল না। শুধু বিজেপি করো বলে তোমাদের ঘরে ইডি-সিবিআই আসে না। তৃণমূল করলে কিছু না করলেও ইডি-সিবিআই আসে। বেশি কথা বললে মুখোশ খুলে দেব। কত ভোট কেটেছিল বনগাঁ, বাগদা থেকে? ভোটের আগে বলবে হিন্দু-মুসলমান। আগুন লাগলে আগুন দেখে না ওটা কার বাড়ি। নদীর ভাঙন যখন হয়, জলের স্রোত সকলকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। বিজেপিকে বিশ্বাস করা আর গোখরো সাপকে বিশ্বাস করা একই ব্যাপার। বিজেপির মাথায় শুধু বিষ। বিষবৃক্ষ থেকে আম জন্মায় না।’’
advertisement
মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, ‘‘ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়া মানুষদের জন্য ট্রাইবুনালে যাব। আবার বলছি, বাংলায় একটাও ডিটেনশন সেন্টার করতে দেব না। ওরা নমঃশূদ্র বিরোধী। ওরা মতুয়া বিরোধী। ওদের ধর্ম মানে ভোট কাটা। এটা ধর্ম নয়। যাদের এখনও কাঁচা বাড়ি আছে, তাঁদের প্রত্যেককে আমরা পাকা বাড়ি করে দেব। যাঁদের বাড়িতে এখনও পানীয় জলের নল পৌঁছয়নি, সেটা করে দেব। দুয়ারে সরকার দেখেছেন। বুথ লেভেলে ১০ লক্ষ টাকা করে সাংশন হয়ে গিয়েছে। কাজ থেমে থাকলেও ওই কাজ হবে। যুবসাথীর টাকা যাঁরা পাননি, তাঁরাও পাবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যাঁরা নতুন করে আবেদন করেছেন, তাঁরাও পাবেন। এ ছাড়াও দুয়ারে সরকারের মতো দুয়ারে স্বাস্থ্য করব। ব্লকে ব্লকে ডাক্তার, সিস্টার আসবে। স্বাস্থ্যই সম্পদ। মানুষের সুবিধার জন্য মসলিনের মতো রাস্তা করে দিয়েছি বনগাঁয়।’’
মমতা বলেন, ‘‘যদি কেউ বাধা দেয়, ক্ষীরের ঝাড়ু দিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করতে করতে ভোটটা দিতে যাবেন। আজ বাংলাভাষায় কথা বললে বিজেপির ডবল ইঞ্জিন রাজ্যে অত্যাচার করে। হোটেলে থাকাও অসুবিধার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা এখন বাংলায় ভোট চাইতে এসেছে! লজ্জা করে না?’’
