পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি বাড়িতে একাই থাকতেন। এদিন সকালে গোয়ালা দুধ দিতে এসে বারবার ডাকাডাকি করেন ওই মহিলার ঘরে। কোনও সাড়া না পাওয়ায় সন্দেহ হওয়ায় খবর দেওয়া হয় তাঁর মেয়েকে। পরে মেয়ে ও পাড়া-প্রতিবেশীরা এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখেন খাটের নীচে মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন ওই মহিলা। ঘটনার খবর দেওয়া হয় পুলিশকে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে।
advertisement
মৃত মহিলার মেয়ে সিউটি চৌধুরীর অভিযোগ, “খাট থেকে পড়ে মৃত্যু হতে পারে না। কেউ বা কারা খুন করেছে মাকে। পাশেই রয়েছে একটি ইট। কেউ বা কারা তাঁকে ইট দিয়ে আঘাত করে খুন করেছে। দোষীদের শাস্তির দাবি জানাছি।” যদিও খুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। ঘটনার প্রসঙ্গে জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্য়ায় জানান, “ঘরের মধ্যে মহিলার দেহ উদ্ধার হয়েছে। খুন নাকি অন্য কারণ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।”
জানা গিয়েছে, দয়া চৌধুরী (৪৬) নামে ওই মহিলা একাই একটি ঘরে থাকতেন। গত দু’বছর আগে তাঁর স্বামী সুবোধ চৌধুরী ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। দুই মেয়ে তাঁরা বিবাহিত। একমাত্র ছেলে শংকর চৌধুরী কর্মসূত্রে ভিনরাজ্যে রয়েছে।
