TRENDING:

Jalpaiguri News:তিস্তার তীরে নেতাজির পদচিহ্ন, ইতিহাসের সাক্ষী জলপাইগুড়ি

Last Updated:

তিস্তা পাড়ের প্রাচীন জনপদ জলপাইগুড়ির সঙ্গে দেশনায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর গভীর ঐতিহাসিক যোগ রয়েছে। স্বাধীনতা আন্দোলনের উত্তাল সময়ে তিনি একাধিকবার জলপাইগুড়ি সফর করেন, বিশেষত ১৯২৮ ও ১৯৩৯ সালে। ১৯৩৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে তিনি জলপাইগুড়িতে এসে বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেসের সম্মেলনে যোগ দেন। বিশাল জনসমাবেশে তাঁর ‘ইংরেজ ভারত ছাড়

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
জলপাইগুড়ি, সুরজিৎ দে: এই শহর থেকেই উঠেছিল ইংরেজ ভারত ছাড়ো ডাক! কখন কিভাবে মহান ব্যক্তিত্বের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিল এই শহর জানেন? আজও তার স্মৃতিচারণা করেন শহরবাসী। জলপাইগুড়িতে রয়েছে নেতাজির ছোঁয়া। তিস্তার তীরে যেন আজও জ্বল জ্বল করছে নেতাজির পদচিহ্ন।জলপাইগুড়ির ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়।তিস্তা নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা প্রাচীন জনপদ জলপাইগুড়ি শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যই নয়, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসেও এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। এই শহরের সঙ্গে দেশনায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সম্পর্ক গভীর, আবেগঘন এবং ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।স্বাধীনতা আন্দোলনের উত্তাল সময়ে একাধিকবার জলপাইগুড়িতে পা রেখেছিলেন নেতাজি। বিশেষ করে ১৯২৮ ও ১৯৩৯ সালে তাঁর সফর শহরের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে নতুন দিশা এনে দেয়।
advertisement

১৯৩৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে তিনি দাদা শরৎচন্দ্র বসুর সঙ্গে দার্জিলিং মেল যোগে জলপাইগুড়ি টাউন স্টেশনে পৌঁছান। সেই বছরই জলপাইগুড়িতে অনুষ্ঠিত বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন নেতাজি। সম্মেলনের সভাপতি ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ও নেতা ড. চারুচন্দ্র সান্যাল।এই সম্মেলন থেকেই জলপাইগুড়ির ইতিহাসে এক অনন্য মুহূর্তের জন্ম। বিশাল জনসমাবেশে নেতাজি প্রথমবার প্রকাশ্যে “ইংরেজ ভারত ছাড়ো” আহ্বান জানান যার প্রতিধ্বনি কয়েক বছর পর ১৯৪২ সালের ঐতিহাসিক ভারত ছাড়ো আন্দোলনে শোনা যায়। তাঁর আগমন উপলক্ষে পান্ডাপাড়ায় আয়োজিত বিশাল জনসভার পর থেকেই এলাকাটি ‘কংগ্রেস পাড়া’ নামে পরিচিতি পায়।জলপাইগুড়িতে অবস্থানকালে নেতাজি বাবুপাড়ায় স্বর্গীয় তারিণী প্রসাদ রায় মহাশয়ের বাড়িতে রাত্রিযাপন করেন। তিনি ঐতিহাসিক বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ি পরিদর্শন করেন এবং জলপাইগুড়ি পৌরসভায় অবস্থিত তৎকালীন পাওয়ার হাউসও ঘুরে দেখেন। নেতাজির স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে ১৯৫১ সালে ওই পাওয়ার হাউস চত্বরে তাঁর স্মরণে দেশের প্রথম মর্মর মূর্তি স্থাপন করা হয়। বর্তমানে এই ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে নেতাজি সুভাষ ফাউন্ডেশন। জলপাইগুড়ির ইতিহাসে নেতাজির পদচিহ্ন স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবময় স্মৃতি বহন করে চলেছে যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা জোগায়!

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
তিস্তার তীরে নেতাজির পদচিহ্ন, ইতিহাসের সাক্ষী জলপাইগুড়ি
আরও দেখুন
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Jalpaiguri News:তিস্তার তীরে নেতাজির পদচিহ্ন, ইতিহাসের সাক্ষী জলপাইগুড়ি
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল