এবার পদবি পরিবর্তনে লক্ষ্মীর ভান্ডারের আবেদন গ্রাহ্য হয়নি বলে দাবী করলেন চুঁচুড়ার এক যুবতী গৃহবধুর। হুগলি মসহীন কলেজের স্নাতক বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ পাশ করেছেন তানিয়া মন্ডল।বিয়ের পর তার পদবি হয় তানিয়া মন্ডল দাস। মাধ্যমিক এডমিট ভোটার কার্ডে মন্ডল পদবি থাকলেও আধার প্যান,ব্যাঙ্কের পাশবই,বিবাহের শংসাপত্রে দাস পদবি জুরে যাওয়ায় লক্ষ্মীর ভান্ডারের আবেদন গ্রাহ্য হয়নি তাঁর। আগে দুবার লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্য আবেদন করেছিলেন কিন্তু পাননি। তাই এবার যুবসাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করছেন।তাতেও সন্দেহ পদবি জটে প্রকল্পের সুবিধা পাবেন কিনা।
advertisement
আরও পড়ুনঃ দুর্মূল্যের বাজারে ‘দশ টাকায়’ পেট ভরা খাবার! এই লুচির দোকান এখন আলোচনায়
তানিয়া বলেন, ’আমি এম এ পাশ করে বসে আছি।কোনও কাজ নেই। ভাতা ভাল কিন্তু একটা চাকরি হলে আরও ভাল হয়। কে অন্যের উপর নির্ভরশীল হতে চায়। চাকরির পরীক্ষা দিয়েছি কিন্তু হয়নি। ফর্ম ফিলাপ করতে খরচ আছে।বছরে আঠেরো হাজার টাকা কিছুটা চোখে দেখা যাবে।’
মহিলারা ২৫ বছর বয়স থেকেই লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতে পারেন ৬০ বছর পর্যন্ত পাবেন। যুবসাথীর জন্য বয়স বাধা হয়েছে ২১-৪০ বছর।প্রকল্পের মেয়াদ পাঁচ বছর।তাই লক্ষ্মীর ভান্ডার পেলেই ভালো হত মত যুবতীর। চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ বলেন,লক্ষ লক্ষ মহিলা পাচ্ছেন লক্মীর ভান্ডার উনি পাবেন না কেন? তার কাগজ পত্রে যা ত্রুটি আছে সেগুলো সংশোধন করে নেওয়া উচিত।কোনো অসুবিধা থাকলে আমাদের কাছে এলে আমরা নিশ্চয়ই সহযোগিতা করব।
