কেউ এসেছেন প্রশাসনের সাহায্যে, পুলিশ উদ্ধার করে দিয়ে গেছে।অসহায় অবস্থা দেখে তাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে গুরুকুঞ্জে।আসলে বিনা পয়সার বৃদ্ধাবাসে।যেখানে সত্তর আশি বছররে একাকি বৃদ্ধ বৃদ্ধারা কথা বলার গল্প করার মত মানুষ পেয়েছেন। তাঁদের জন্য তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থাও ঝকমারি। সকালে জল খাবার দুপুর রাতের খাবার তৈরী করার জন্য গ্যাসই ভরসা।
advertisement
কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক নেই। প্রায় ৫০ জন আবাসিকদের রান্নার জন্য মাসে আট নটা গ্যাস সিলিন্ডার লাগে। সেটাই পাওয়া যাচ্ছে না।তা বলে মানুষগুলো অভুক্ত থাকবে সেটা তো হয় না।তাই মেনু তে কাটছাঁট করে,কখনো আলু সেদ্ধ ভাত,কখনো ডাল ভাত দেওয়া হচ্ছে।আর তাই হাসিমুখে খেয়ে নিচ্ছেন আবাসিকরা।আবাসিক বলেন, আগে ডাল তরকারি ভাজা মাছ দেওয়া হত। গত কয়েকদিন ধরে গ্যাসের সমস্যায় একটু গন্ডগোল হয়েছে। তবে, যেটাই পাওয়া যাচ্ছে সেটাই সোনাতোলা করে খেয়ে নিচ্ছে সবাই।গ্যাস নিয়ে যেটা চলছে সেটা তো সবার ক্ষেত্রেই অসুবিধা হচ্ছে তাই আমরাও মানিয়ে নিয়েছি।
আরও গড় কর্ণধার ইন্দ্রজিৎ দত্ত বলেন, আমাদের মিটিং-এ একটা সিদ্ধান্ত হয়। যতদিন না গ্যাসের সমস্যা মিটছে ততদিন মেনুতে একটু কাটছাঁট করতে হবে। যে আবাসিকরা আছে তাদের কথা ভেবে হেঁসেল চালু রাখতে হবে।
