অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, ERO, AERO-রা ভোটারের নথি যাচাই করে চূড়ান্ত করার পরে তা পাঠিয়ে দিলে মাইক্রো অবজার্ভার, রোল অবজার্ভাররা তাতে একমত হতে পারছেন না। সেক্ষেত্রে, ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে সেই সংক্রান্ত নথি।
আরও পড়ুন: অভিষেকের চ্যাট ফাঁসে নড়ে বসল নির্বাচন কমিশনও! রোল অবজার্ভার মুরুগানের ব্যাখ্যা তলব
advertisement
সেই নথি ফেরত পাঠিয়ে দেওয়ার পরে মাইক্রো অবজারভার ও রোল অবজার্ভারদের সঙ্গে কেন একমত নয় রাজ্যের ero, aero রা? সর্বাধিক ৫০০ শব্দের মধ্যে তাঁরা লিখতে পারবেন ড্যাশবোর্ডে। সে বক্তব্য লিখে পাঠিয়েও দিতে পারবেন৷ অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি করতে এমন ব্যবস্থা চালু করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন৷ তেমনটাই কমিশন সূত্রে খবর।
এসআইআর প্রক্রিয়ায় মাইক্রো অবজার্ভারদের ভূমিকা নিয়ে আদালতে প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল৷ তারপরেই সুপ্রিম কোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়, ‘‘মাইক্রো অবজার্ভাররা শুধুমাত্র সিদ্ধান্ত নিতে সহযোগিতা করবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরওই৷ মাইক্রো অবজারভাররা শুধুমাত্র অ্যাসিস্ট করবেন চিহ্নিত স্ট্যাচুয়েটরি অথরিটিকে৷”
তারপরেও, গত বুধবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তোলেন, শীর্ষ আদালতের এই রায় মানা হচ্ছে না৷ প্রমাণ স্বরূপ নির্বাচন কমিশনের অন্দরের হোয়াটস অ্যাপ চ্যাট প্রকাশ্যে আনেন তিনি৷ যদিও সেই চ্যাটের সত্যতা যাচাই করেনি News18 Bangla. তারপরেই অবশ্য নড়েচড়ে বসে কমিশন৷
আরও পড়ুন: রাজ্যসভাতেও ‘শূন্য’ হতে চলেছে বামেরা! পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৫ আসন খালি, কী পরিকল্পনা তৃণমূলের?
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ দিয়ে কমিশন এসআইআর-এর কাজ করাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা৷ প্রমাণ স্বরূপ কমিশনে নিযুক্ত দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা এবং দক্ষিণ কলকাতার রোল অবজার্ভার সি মুরুগানের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এরই পরিপ্রেক্ষিতে রোল অবজার্ভার মুরুগানের ব্যাখ্যা চাইল নির্বাচন কমিশন৷
