আজকের সময়ে মানুষ যখন এসি, ফ্রিজ, পাখা বা টিভি-র মতো ইলেকট্রনিক পণ্য কেনেন, তখন দাম ও ফিচারের পাশাপাশি তার স্টার রেটিং-ও দেখে নেন। স্টার রেটিং থেকে বোঝা যায় কোনো ইলেকট্রনিক পণ্য কতটা বিদ্যুৎ খরচ করবে।
অর্থাৎ—
যে পণ্যে বেশি স্টার থাকে, সেটি সাধারণত কম বিদ্যুৎ খরচ করে।
advertisement
যেমন ৫-স্টার রেটিং-এর এসি বা ফ্রিজ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ভালো বলে ধরা হয়।
আর ১ বা ২-স্টার যন্ত্রে সাধারণত বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়।
তবে অনেক সময় এমন ঘটনাও সামনে আসে যেখানে পণ্যে লাগানো স্টার রেটিং সঠিক নয় বা নকল হতে পারে। তাই কোনো ইলেকট্রনিক পণ্য কেনার আগে এটি যাচাই করা খুবই জরুরি।
এখন প্রশ্ন হলো— এসি, ফ্রিজ বা টিভির স্টার রেটিং আসল না নকল তা কীভাবে বুঝবেন? ভারতে ইলেকট্রনিক পণ্যের স্টার রেটিং কে দেয়? ভারতে ইলেকট্রনিক পণ্যের স্টার রেটিং দেয় Bureau of Energy Efficiency। এই সরকারি সংস্থা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্র পরীক্ষা করে এবং সেগুলোর বিদ্যুৎ খরচের ভিত্তিতে স্টার রেটিং নির্ধারণ করে।
প্রতিটি এসি, ফ্রিজ বা অন্য যন্ত্রে একটি স্টিকার থাকে, যেখানে লাল রঙের স্টার চিহ্ন থাকে।
যত বেশি স্টার থাকবে, পণ্যটি তত কম বিদ্যুৎ খরচ করে।
সেই স্টিকারে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ এবং বছরের তথ্যও লেখা থাকে। কেনার আগে এভাবে যাচাই করুন
আপনি যদি নতুন এসি, ফ্রিজ বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক পণ্য কিনতে যান, তাহলে অবশ্যই তার স্টার রেটিং যাচাই করুন।
এর জন্য আপনি BEE Star Label অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারেন।
অ্যাপের মধ্যে বিভিন্ন পণ্যের ক্যাটাগরি দেওয়া থাকে— এসি, ফ্রিজ, পাখা ইত্যাদি। এখানে আপনি কোম্পানি বা মডেলের নাম সার্চ করতে পারেন। যদি আপনার পণ্যটি সেখানে দেখা যায়, তাহলে তার স্টার রেটিং সঠিক বলে ধরা যায়। আর যদি না দেখা যায়, তাহলে সম্ভবত সেই পণ্যটি BEE-তে নিবন্ধিত নয়।
কেন বেশি স্টার রেটিং ভালো?
বেশি স্টার রেটিং-ওয়ালা ইলেকট্রনিক যন্ত্র প্রথমে একটু বেশি দামে হতে পারে, কিন্তু এগুলো কম বিদ্যুৎ খরচ করে। এর ফলে প্রতি মাসে আসা বিদ্যুৎ বিল কম হতে পারে।
অন্যদিকে কম স্টার রেটিং-ওয়ালা বা একেবারে রেটিংবিহীন যন্ত্রপাতি দামে সস্তা হলেও এগুলো বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। তাই নতুন কোনো ইলেকট্রনিক পণ্য কেনার সময় অবশ্যই তার স্টার রেটিং দেখে নেওয়া উচিত।
