ম্যাচ টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকন্দর রাজা। সেই সিদ্ধান্তই বুমেরাং হয়ে যায়। শুরুতে সাই হোপ ও ব্র্যান্ডন কিং বড় রান না পেলেও শিমরন হেটমায়ার ও রভম্যান পাওয়েল বিধ্বংসী ব্যাটি করেন। দুই ক্যারিবিয়ান তারকার পাওয়ার হিটিংয়ের কোনো জবাব ছিল না জিম্বাবুয়ের বোলারদের সামনে। চোখের পলকে ১২২ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেন হেটমায়ার ও পাওয়েল।
advertisement
৩৪ বলে ৮৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট হন শিমরন হেটমায়ার। ৭টি করে ছয় ও চার মারেন ক্যারিবিয়ান তারকা। কম যাননি রভম্যান পাওয়েলও। ৩৫ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ৪টি চার ও ৪টি ছয়ে সাজানো তার ইনিংস। শেষের দিকে শেরফেন রাদারফোর্ড (৩১), রোমারিও শেফার্ড (২১) ও জেসন হোল্ডার (১৩) মারকাটারি ব্যাটিং করে দলের স্কোর ২৫০ পার নিয়ে যান। ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৫৪ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যা টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৫৪ রান করায় ভারতের চাপ বাড়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। সেমিতে যেতে গেলে ভারতের পরবর্তী দুটি ম্যাচ শুধু জিতলেই হবে না, বড় ব্যবধানে জিততে হবে। সেখানে একই গ্রুপের অন্য কোনও দলও যদি বিশাল ব্যবধানে ম্যাচ জেতে তাদেরও রানরেট ভাল জায়গায় পৌছে যাবে। ভারত বর্তমানে -৩.৮০০ নেট রানরেটে রয়েছে। ওয়েস্ট ইন্জিজ যদি জিম্বাবুয়েকে বিরাট ব্যবধানে হারায় তাহলে তাদেরও রানরেট ভাল জায়গায় চলে যাবে। চাপ বাড়বে ভারতের। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা যদি নিজেদের সব ম্যাচ জেতে ও ভারত ২টি ম্যাচ জেতে তাহলে রানরেটের কোনো গল্প থাকবে না।
