যাই হোক, অধিনায়ক বিরাট কোহলি নিজে রান করতে মরিয়া। দীর্ঘদিন ব্যাটে খরা চলছে। প্রায় দুই বছর হতে চলল, শেষ শতরান করেছেন। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে দুই ইনিংসে ব্যর্থ, ব্যর্থ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নটিংহ্যাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে। খাতা না খুলে ফিরতে হয়েছিল। তাই বিদেশে টেস্ট সিরিজ জিতে ফিরতে হলে, স্বয়ং বিরাটকে সামনে থেকে পারফর্ম করতে হবে। কোচ রবি শাস্ত্রির সঙ্গে বারবার কথা বলছেন। বোঝার চেষ্টা করছেন কোথায় ভুল হচ্ছে। স্টানস নিয়ে সমস্যা হচ্ছে কিনা, কথা বলেছেন সেই বিষয়।
advertisement
অ্যান্ডারসনের বিরুদ্ধে এমনিতেই বিরাট একটু চাপে থাকেন। কিংবদন্তি ইংরেজ পেসার কোন বলটা ভেতরে আনবেন, আর কোনটা বাইরে যাবে, ধরতে পারা সহজ নয়। তাই অ্যান্ডারসনকে খেলার সময় বিশেষ টেকনিক দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা ভারত অধিনায়কের। একটু এগিয়ে দাঁড়াবেন। সুইং সামাল দিতেই এমন ব্যবস্থা। অ্যান্ডারসন ছাড়াও স্টুয়ার্ট ব্রড এবং নতুন অলি রবিনসন যে যথেষ্ট ভয়ঙ্কর হতে পারেন, তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।
তবে ২০১৪ সালেও একইভাবে বিরাট কোহলিকে মুশকিলে ফেলেছিলেন জিমি। চার বছর পর অবশ্য অ্যান্ডারসনকে শাসন করেছিলেন বিরাট। এবার দেশের মাটিতে আরও একবার বিরাটকে চাপে ফেলতে শুরু করে দিয়েছেন তারকা ইংরেজ পেসার। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে পাল্টা লড়াই করা ছাড়া উপায় থাকে না। কোহলি কী পারবেন অ্যান্ডারসনের বিরুদ্ধে এই লড়াই জিততে? অপেক্ষা করতে হবে আর দুদিন। ক্রিকেটের মক্কায় দুই কিংবদন্তি লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসে তার উত্তর দেবে সময়।
