রবি শাস্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেছেন, ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দলগুলোর মধ্যে এই কৃতিত্ব অর্জনের ক্ষমতা রয়েছে। এই দুই দলের টপ অর্ডারে এমন সব আক্রমণাত্মক ব্যাটার রয়েছেন, যারা শুরু থেকেই প্রতিপক্ষ বোলারদের উপর চাপ তৈরি করতে পারেন। শাস্ত্রীর মতে, যদি শুরুর দিকের কোনও ব্যাটার সেঞ্চুরি করেন এবং অন্যরা ভালো সাপোর্ট দেন, তাহলে ৩০০ রান করা আর স্বপ্ন থাকবে না।
advertisement
উল্লেখযোগ্যভাবে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখনো পর্যন্ত সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর ২৬০ রান। এই রেকর্ডটি ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কা কেনিয়ার বিরুদ্ধে করেছিল। তবে ক্রিকেটের ধরণ বদলেছে, ব্যাট, পিচ এবং ফিটনেস—সব কিছুই এখন আরও আক্রমণাত্মক খেলাকে উৎসাহ দিচ্ছে। ফলে বড় স্কোর হওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেড়েছে।
ভারতীয় দল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শাস্ত্রী সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন দলকে শিরোপার বড় দাবিদার বলেছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন মানসিক চাপ নিয়ে। ঘরের মাঠে খেলা এবং আগের সাফল্য ধরে রাখার চাপ খেলোয়াড়দের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁর মতে, টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মাত্র ১০–১৫ মিনিটের খারাপ পারফরম্যান্স পুরো টুর্নামেন্টের গতিপথ বদলে দিতে পারে।
আরও পড়ুনঃ ৩টি বড় সমস্যা! টি-২০ বিশ্বকাপের আগে চিন্তায় টিম ইন্ডিয়া! কোন পথে সমাধান?
তবে সব মিলিয়ে ভারতীয় দলের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের ব্যাটিং গভীরতা। শাস্ত্রীর বিশ্বাস, দল যদি ভালো শুরু করতে পারে, তাহলে বড় বাধাও তারা সহজেই টপকে যেতে পারবে। ভারত তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ৭ ফেব্রুয়ারি, মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে। এখন দেখার বিষয়, মাঠে নেমে শাস্ত্রীর ভবিষ্যদ্বাণি কতটা সত্যি হয়।
