কিন্তু বিরাট কোহলির সঙ্গে সৌরভের সম্পর্ক যে এখনও শীতল সেটা আবার প্রমাণিত হল। রবিবার ভারতের জয়ের পিছনে বড় ভূমিকা বিরাটের। তিনি ৫৩ বলে ৮২ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ ওভারে গিয়ে ম্যাচ জেতে ভারত। সদ্য প্রাক্তন হওয়া বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ টুইট করে লেখেন, এরকম জয়ের জন্য ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছা। বিশ্বকাপের শুরুটা দারুণ হল।
advertisement
গোটা দলকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেও সৌরভের টুইটে বিরাটকে নিয়ে কোনও মন্তব্য দেখা গেল না। লোকেশ রাহুল, রোহিত শর্মারা ফিরে গেলে বিরাটই ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যান। তাঁর সঙ্গী ছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। তিনি ৩৭ বলে ৪০ রান করেন। কিন্তু আউট হয়ে যান হার্দিক। শেষ অবধি ক্রিজে থেকে ভারতকে ম্যাচ জিতিয়ে তবেই সাজঘরে ফেরেন বিরাট।
এই ম্যাচে হার্দিক পান্ডিয়া অলরাউন্ড পারফরমেন্স করেছেন। জীবনের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ বল হাতে আরশদীপ সিংহ অসাধারণ পারফরম্যান্স তুলে ধরেছেন। তবে সৌরভ লিখুন অথবা নাই লিখুন, বিরাট কোহলি না থাকলে এই ম্যাচ ভারত জিততে পারত না তাতে সন্দেহ নেই। উল্লেখ্য মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানালেও সৌরভকে জানাননি বিরাট।
দুজনের শীতল সম্পর্ক আবার সামনে চলে এল। শেষ পর্যন্ত সিএবির কোনও পদেই দাঁড়ালেন না সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বিরোধী প্যানেল নেই। বাধা দেওয়ার কেউ ছিল না। তিনি চেয়েছিলেন ভোটের লড়ে বাংলার ক্রিকেট প্রশাসকের সবচেয়ে বড় চেয়ারে বসতে। সেটা হচ্ছে না। তার জায়গায় বসছেন স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। বিভিন্ন পদে থাকছেন প্রবীর চক্রবর্তী, নরেশ ওঝা, দেবব্রত দাস, অমলেন্দু বিশ্বাস।
