ম্যাচের শুরুতেই ইরফান পাঠান দুর্দান্ত ছন্দে বোলিং শুরু করেন। প্রথম উইকেটে পাকিস্তানের ওপেনার সালমান বাট স্লিপে রাহুল দ্রাবিড়ের হাতে ক্যাচ দেন। পরের বলেই মহম্মদ ইউসুফ ইরফানের ইনসুইং বুঝতে না পেরে এলবিডব্লিউ হন। তৃতীয় বলে ইউনিস খানও একইভাবে ব্যর্থ হন ও বোল্ড হন। মাত্র তিন বলেই তিনটি উইকেট পড়ে গেলে পুরো স্টেডিয়াম স্তব্ধ হয়ে যায়।
advertisement
হ্যাটট্রিক সম্পন্ন হতেই মাঠে উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে। সতীর্থরা ইরফান পাঠানকে কোলে তুলে নেন। তরুণ ইরফানের মুখে তখন আনন্দ ও বিস্ময়ের মিশ্র প্রতিক্রিয়া। যদিও এই দুর্দান্ত শুরুর পরও ভারত সেই ম্যাচ এবং সিরিজ ০-১ ব্যবধানে হেরে যায়, তবুও পাঠানের কীর্তি ম্যাচের ফলাফলের ঊর্ধ্বে থেকে গিয়েছে ক্রিকেট ইতিহাসে।
আরও পড়ুনঃ Yuvraj Singh: যুবরাজের আচমকা অবসরের কারণ কী ছিল? এত বছর পর জানালেন আসল সত্যি!
এই হ্যাটট্রিক ভারত-পাকিস্তান টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত। হরভজন সিংয়ের পর ইরফান পাঠান ভারতের দ্বিতীয় টেস্ট হ্যাটট্রিককারী বোলার হন। পরে ২০১৯ সালে জসপ্রিত বুমরাহ এই কীর্তির পুনরাবৃত্তি করেন। ইরফান পাঠানের এই অর্জন তার প্রতিভা ও সাহসের উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে আজও ক্রিকেট ইতিহাসে জায়গা করে আছে।
