সেখানে বলা হয়েছে আইসিসির দেওয়া প্রতিবেদনে সামগ্রিকভাবে দলের জন্য কোনও ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা না হলেও কিছু ভেন্যুতে কম থেকে মাঝারি মাত্রার ঝুঁকি এবং অন্য কয়েকটিতে কম বা নেই বললেই চলে- এমন উল্লেখ রয়েছে। যা আইসিসির বিশ্বব্যাপী প্রচলিত সংশ্লিষ্ট ক্যাটাগরি নির্ধারণের অংশ এবং সেসব সাধারণত ম্যাচ স্থানান্তরের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য যথেষ্ট কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় না।
advertisement
মূলত এই নিরাপত্তা মূল্যায়নের বিষয়টি সামনে আসে সোমবার যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের এক বক্তব্যের পর। তিনি দাবি করেছেন, আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগ থেকে পাওয়া চিঠিতে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথাই উল্লেখ করা হয়েছে! এছাড়া তিনটি কারণের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। সেসব কারণ নিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসির মূল্যায়নে কোথাও এমন ইঙ্গিত নেই যাতে আইসিসি খেলোয়াড় নির্বাচন নিয়ে কোনও শর্ত আরোপ করেছে, সমর্থকদের দলীয় টি-শার্ট পরে চলাফেরা না করতে নির্দেশ দিয়েছে কিংবা দেশের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন স্থগিত করার সুপারিশ করেছে।
তবে বর্তমান সরকারের একজন কর্মকর্তা বিষয়টি পরিষ্কার করে বলেছেন, এই নিরাপত্তা সংক্রান্ত মূল্যায়ন মূলত বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ম্যাচ অন্য দেশে সরানোর অনুরোধের প্ররিপ্রেক্ষিতে আইসিসির চিঠির জবাব নয়। এটি অভ্যন্তরণী নোট।
পরে বিবৃতিতে ক্রীড়া উপদেষ্টার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে বিসিবি। তাতে বলা হয়, ‘আজ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা যে চিঠিপত্রের কথা উল্লেখ করেছেন, তা ছিল আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশের দলের সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়নসংক্রান্ত বিসিবি ও আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ। এটিকে ভারতের বাইরে বাংলাদেশের ম্যাচ স্থানান্তরের বিষয়ে বিসিবির অনুরোধের বিপরীতে আইসিসির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বিসিবি পুনরায় জানাচ্ছে, দলের নিরাপত্তার স্বার্থে ভেন্যু সংক্রান্ত উদ্বেগ আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির কাছে তুলে ধরা হয়েছে এবং ভারতের বাইরে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইসিসির আনুষ্ঠানিক জবাব এখনও পাওয়া যায়নি।’
