ম্যাচ টস জিতে প্রথমে বোলং করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের শুরু থেকেই একদিক থেকে লাগাতার উইকেট হারাতে থাকে ভারতীয় দল। শুভমান গিল, সঞ্জু স্যামসন, সূর্যকুমার যাদব, তিলক বর্মা, অক্ষর প্যাটেল, শিবম দুবে কেউই দুই অঙ্কের রানে পৌছতে পারেনি। কার্যত একার হাতে দলকে রক্ষা করেন অভিষেক শর্মা। শুরু থেকেই মারকাটারি মেজাজে ব্যাটিং করেন ভারতের তরুণ ওপেনার।
advertisement
এমসিজি-র যে উইকেটে অন্যান্য ব্যাটারা দাঁড়াতে পারছিলেন না, সেখানে সাবলীলভাবে শট খেলছিলেন অভিষেক শর্মা। মাঝে হর্ষিত রানার সঙ্গে ৫৬ রানের পার্টনারশিপ না হলে, আরও লজ্জাজনক স্কোরের সম্মুখীন হত ভারতীয় দল। রানা করেন ৩৫ রান। অভিষেক শর্মা ৩৭ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। ৮টি চার ও ২টি ছয়ে সাজানো তার ইনিংস। অজিদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেম জস হ্যাজেলউড।
১২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরু খেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করেন মিচেল মার্শ ও ট্রেভিস হেড। ৪ ওভারের মধ্যে ৫০ রানের পার্টবারশিপ গড়ে ফেলেন তারা। মার্শ ২৮ রানে ফিরলেও নিজের ইনিংস চালিয়ে যান হেড। জস ইংলিশের সঙ্গে ছোট একটা পার্টনারশিপ করেন। ৮৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট পড়ে অস্ট্রেলিয়ার। ২৬ বলে ৪৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট হন তিনি।
এরপর টিম ডেভিড ১ রান করে আউট হন। কিন্তু ততক্ষণে ম্যাচের ভাগ্য ঠিক হয়ে গিয়েছে। জস ইংলিশ ২০ রানের ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়াকে আরও জয়ের কাছে নিয়ে যান। কিন্তু শেষেক দিকে বুমরাহ পরপর উইকেট নিয়ে অজিদের জয় কিছুটা বিলম্বিত হয়। শেষ পর্যন্ত ১৩.২ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌছে যায় অস্ট্রেলিয়া। ভারতের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন বুমরাহ, বরুণ চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব। এই হারের ফলে ৫ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ল ভারত।
