আমেরিকার বিরুদ্ধে কামব্যাক ম্যাচে মায়াঙ্কের গতি ছিল আগের মতোই আগুনঝরা। তবে পারফরম্যান্সের দিক থেকে তিনি খুব একটা সফল হতে পারেননি। তিন ওভার বল করে তিনি ৩৭ রান দেন, ইকোনমি রেট ছিল ১২.৩০। এই ম্যাচে তিনি কোনো উইকেট পাননি এবং দলের চতুর্থ সবচেয়ে খরুচে বোলার হিসেবে শেষ করেন। যদিও গতি ও ফিটনেস দেখে নির্বাচকরা স্বস্তিতে থাকতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।
advertisement
এই ম্যাচে ভারত-এ দলের অধিনায়ক আয়ুষ বাদোনি সবচেয়ে বেশি রান দেন। তিনি এক ওভারেই ২৩ রান খরচ করেন। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ভারত-এ দলের হয়ে মায়াঙ্ক আবার মাঠে নামবেন, যখন প্রস্তুতি ম্যাচে দলের প্রতিপক্ষ হবে নামিবিয়া। সেই ম্যাচে তাঁর পারফরম্যান্সের দিকে বিশেষ নজর থাকবে।
মায়াঙ্ক যাদব এর আগে শেষবার খেলেছিলেন আইপিএল ২০২৫-এ। ৪ মে ২০২৫-এ পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে লখনউ সুপার জায়ান্টসের হয়ে চার ওভারে ৬০ রান দেন তিনি। সেই ম্যাচের পরই চোটের কারণে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে চলে যেতে হয় তাঁকে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত তিনি ভারতের হয়ে তিনটি টি-২০ ম্যাচ খেলে চারটি উইকেট নিয়েছেন।
চোট মায়াঙ্ক যাদবের কেরিয়ারে বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ালেও তাঁর প্রতিভা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ২০২৪ সালে আইপিএলে অভিষেকেই ১৫৬.৭ কিমি গতির বল করে ইতিহাস গড়েছিলেন তিনি। আইপিএল ২০২৬-এ লখনউ সুপার জায়ান্টসের হয়ে দুর্দান্ত কামব্যাক করাই এখন তাঁর লক্ষ্য। এখন পর্যন্ত আইপিএলে ছয় ম্যাচে নয় উইকেট নেওয়া এই তরুণ পেসারের দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট।
