এছাড়াও ভাজ্জি অভিযোগ করেন, পাকিস্তান সরকার ও বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেবল অহংকার দেখানোর জন্য এবং এতে দেশের সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীদের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। তাঁর মতে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে মুখিয়ে থাকে দুই দেশের কোটি কোটি দর্শক।
পাকিস্তান সরকার সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছে, তারা দলকে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে, তবে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে খেলতে নিষেধ করেছে। গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, এটি বাংলাদেশের প্রতি ‘সংহতি’ দেখানোর একটি রাজনৈতিক অবস্থান, কারণ বাংলাদেশ ভারত সফর করতে অস্বীকার করায় বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছিল।
advertisement
এই প্রসঙ্গে হারভজন বলেন, বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোতে সমস্যা নেই, কিন্তু এতে পাকিস্তানের জনগণের অনুভূতির কথা ভাবা হয়নি। হরভজন এই সিদ্ধান্তকে একটি ‘নাটক’ বলে আখ্যা দেন, যা মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ অধিনায়কত্বে চমক! ফিরলেন তিলক, প্রস্তুতি ম্যাচের স্কোয়াড ঘোষণা করল বিসিসিআই
এছাড়া হরভজন পিসিবির দ্বিচারিতাও তুলে ধরেন। তিনি প্রশ্ন করেন, এশিয়া কাপে কেন একই দেশপ্রেম দেখানো হয়নি। যুদ্ধ পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও তখন পাকিস্তান খেলেছিল, কারণ তারা রাজস্ব হারাতে চায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত দিয়েছে এবং পাকিস্তান সরকারকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। এখনো পিসিবির কাছ থেকে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত পায়নি আইসিসি।
