রোনাল্ডো, মেসি, নেইমার। বিশ্বকাপের মঞ্চে এইসব তারকাদের পারফরম্যান্সের দিকেই তাকিয়ে থাকেন ফুটবলপ্রেমী জনতা ৷ প্রথম ল্যাপে তিন তারকারাই ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে ৷ এককথায় মেসি-নেইমারকে দুয়ো দিয়ে এক নম্বরে রোনাল্ডো ৷ স্পেন ম্যাচ কার্যত একাই বের করেছেন।
প্রথম ম্যাচে রোনাল্ডোর নামের পাশে তিন গোল। সব থেকে বেশি বয়সী ফুটবলার হিসাবে হ্যাটট্রিক। শুধু গোল নয়, ম্যাচেও দাপট দেখিয়েছেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।
advertisement
রোনাল্ডো স্পেনের বিরুদ্ধে ৮৯টি পাস খেলেন। তার মধ্যে ৭৯টি ছিল নিখুঁত। গোলমুখী শট সাতটি। তিন গোল।
রোনাল্ডোর অতিমানব হওয়ার পরের দিন মেসির ছিল পরীক্ষা। বিশেষজ্ঞদের মতে ফেল না করলেও আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর ফর্ম মেসিসুলভ নয়।
মেসির প্রথম ম্যাচের মার্কশিট এরকম। ম্যাচে লিও পাস বাড়ান ৭১ বার। তার মধ্যে ৬১টি সঠিক। গোল লক্ষ্য করে শট তিনটি। পেনাল্টি মিস।
প্রথম ম্যাচে রোনাল্ডোকে ছোঁওয়া দূরের কথা কার্যত ফ্লপ নেইমার। সুইস ডিফেন্ডারদের চক্রব্যূহে পড়লেই খেই হারিয়ে ফেলছেন।
সুইসদের বিরুদ্ধে নেইমার পাস বাড়ান ৬৫ বার। তার মধ্যে ঠিক পাশ ৫২টি। গোল লক্ষ্য করে শট তিনবার। তবে কাজের কাজ নেই ৷
তবে তিন মহাতারকাকে এক জায়গায় ছাপিয়ে গিয়েছেন নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার ইতেবো। প্রথম ম্যাচে ৯বার সঠিক ড্রিবল করেছেন এই তারকা।
দেশের জার্সিতে তিনি তেমন সফল নন। এই অভিযোগের এখন সবচেয়ে বড় টার্গেট মেসি ৷ কারণ দেশকে তিনটি বড় ফাইনালে তুললেও চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি ৷ এটাই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ, তাই এই প্রশ্নের জবাব দিতে গেলে মেসিকে নিজের ম্যাজিকে ফিরতেই হবে ৷
ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ইতিমধ্যেই দেশের জার্সিতে ইউরো জিতে মেসিকে টেক্কা দিয়েছেন ৷ এবারের শুরুতে যে ফর্মের ঝলক দেখিয়েছেন সেটা যদি শুধু ট্রেলর হয় তাহলে তো নিঃসন্দেহে বলতে হয় পিকচর আভি বাকি হ্যায় মেরে দোস্ত ৷
