আরও পড়ুন: শুরু হাওড়ার বিখ্যাত ফুল মেলা, উপচে পড়ছে মানুষের ভিড়
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী ও পুরপ্রধান সুব্রত ঘোষ সহ এক ঝাঁক প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। ছিলেন বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্সের কর্মকর্তারাও। তারা বলেন, তাঁত শিল্পের পর এবার শান্তিপুরের মৃৎশিল্পের উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ শান্তিপুরের পাশাপাশি শান্তিপুর শহর সব মিলিয়ে শান্তিপুর থানা এলাকার যে সমস্ত মৃৎশিল্পীরা আছেন তাঁদের জন্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। মূলত ক্ষুদ্র মাঝারি কুটির শিল্প দফতরের উদ্যোগে এই কাজ করা হবে। প্রশাসন সূত্র জানা গিয়েছে, শান্তিপুরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মৃৎশিল্পীদের নিয়ে ছোট ছোট ইউনিট তৈরি হবে। এক একটি এলাকার মৃৎশিল্পীদের নিয়ে সেই এলাকায় স্থানীয়ভাবে ইউনিট হবে। দক্ষ এবং অদক্ষ শ্রমিকদের চিহ্নিত করার কাজ হবে সেখানে।
advertisement
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
https://whatsapp.com/channel/0029VaA776LIN9is56YiLj3F
নদিয়া জেলা কুম্ভকার সমিতির পক্ষ থেকে মুন্না পাল জানান, দুর্গাপুজোর সময় করে মূর্তি নির্মাণের কাজ থাকে। কিন্তু পুজোর মরশুম শেষ হয়ে যাওয়ার পরছাড়া বাকি বছরটা তাঁদের কর্মহীন অবস্থায় কাটে। অথচ সরকারি তত্ত্বাবধানে মাটির ঘর সাজানোর দ্রব্য, সৌখিন গৃহস্থলীর ব্যবহার্য জিনিসপত্র, উপহার সামগ্রী, চায়ের ভাঁড় এই সমস্ত জিনিস তৈরি করার সুযোগ পেলে তাঁরা উপকৃত হবেন। অন্যদিকে আর্টিসন কার্ড পেলেও উৎপাদন সামগ্রী প্রস্তুতির জন্য দরকার অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি কেনার অর্থ। এই অনুষ্ঠানের শেষে মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, রাজ্য সরকার মৃৎশিল্পীদের নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে। একদিকে যেমন তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে অন্যদিকে আর্থিক সহযোগিতাও করা হবে। তবে এই মৃৎশিল্প আগামী দিনে বিশ্ববাংলা দরবারে পৌঁছে যাবে এটা আমার বিশ্বাস। অন্যদিকে এসডিও রৌনক আগরওয়াল বলেন, যেসব মৃৎশিল্পীরা বিভিন্ন রকমের পুতুল তৈরি করছেন তাঁরা যাতে আরও নতুনত্ব আনতে পারেন তার জন্যই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা। আগামী দিনে রাজ্য সরকার এদের তৈরি পুতুল কিনে দেশ-বিদেশে রফতানি করবে। তাতে করে অনেকটাই এগিয়ে যাবে এই শিল্প।
মৈনাক দেবনাথ






