জানা যাচ্ছে, বর্তমান ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের প্রত্যেকের কাছে এনুমারেশন ফর্ম পাঠানো হবে। ভোটারকে দেখা না পেলে, বাড়িতে লেটার বক্সে বা দরজার ফাঁকে ঢুকিয়ে দিয়ে আসতে হবে এনুমারেশন ফর্ম। বিএলও নির্বাচন কমিশনের দেওয়া মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ভোটারদের লিঙ্ক দেখে নিতে পারবেন। ভোটারের এপিক নম্বর দিয়ে এই তথ্য পাওয়া যাবে।
advertisement
আরও পড়ুন: ১০০ দিনের কাজের আগে জব কার্ডে আধার লিঙ্ক বাধ্যতামূলক! জানুন কীভাবে করবেন
কোনও ব্যক্তি কাজের জন্য বাইরে থাকলে তাঁর হয়ে পরিবারের অন্য সদস্য স্বাক্ষর করে জমা দিতে পারবেন। তবে স্বাক্ষরকারীকে লিখে দিতে হবে আবেদনকারীর নাম এবং তাঁর সঙ্গে সর্ম্পক। এনুমারেশন ফর্ম জমা দিলেই খসড়া ভোটার তালিকায় নাম উঠবে। জমা না দিলে ভোটার তালিকায় নাম ওঠার সুযোগ নেই। ভোটারদের ২০০২-এর ভোটার তালিকায় কোনও লিঙ্ক পাওয়া যায়নি, তাদের ইআরও বা এইআরও শুনানিতে ডাকবেন। সাতদিন সময় দেওয়া হবে। শুনানিতে সব নথি নিয়ে হাজির হতে হবে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দাবি ও আপত্তি শোনার জন্য ৫৪ দিন সময় থাকবে। যার ভিত্তিতে শুনানি হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
৭ ফেব্রুয়ারি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর যদি দেখা যায় কারও নাম ভোটার তালিকায় ওঠেনি। তখন তিনি সরাসরি জেলাশাসকের কাছে আবেদন জানাতে পারেন। সেখানে তাঁর আবেদন খারিজ হয়ে গেলে সিইও’র কাছে আবেদন করতে পারেন। তারপরও ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন জানাতে পারেন। নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ পর্যন্ত এই আবেদন জানানো যাবে।
জন্মের তারিখ, আধার (ঐচ্ছিক), মোবাইল নম্বর, পিতা অথবা অভিভাবকের নাম,
পিতা অথবা অভিভাবকের এপিক নম্বর (যদি থাকে), মায়ের নাম, মায়ের এপিক নম্বর (যদি থাকে), প্রত্যেক ভোটারের কাছে ছবি, পার্ট নম্বর, বুথ নম্বর সহ ছাপানো দুটি এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছবে ৷ ফর্মে আগে থেকেই সংগ্রহ করা কিছু তথ্য দেওয়া থাকবে যেগুলো মিলিয়ে মিলিয়ে দেখতে হবে তথ্যগুলি ঠিক আছে কিনা।





