উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হিঙ্গলগঞ্জ, সন্দেশখালি, হাসনাবাদ ও মিনাখা-সহ একাধিক এলাকায় এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন হাজারো মানুষ। বিশেষত গ্রামের মহিলারাই এখন সংসারের হাল ধরেছেন বিড়ি বেঁধে। মহাজনরা প্রতি সপ্তাহে বাড়িতে এসে তামাক, কেন্দুপাতা ও সুতো পৌঁছে দেন। সেইসঙ্গে আগের সপ্তাহে বাঁধা বিড়ি সংগ্রহ করে নিয়ে যান বাজারে বিক্রির জন্য। এক মহিলা শ্রমিক জানান, ” এক হাজার বিড়ি বাঁধলে পাই ২৩০ টাকা। প্রতিদিন প্রায় ৮০০ থেকে ১২০০টি পর্যন্ত বিড়ি বাঁধা সম্ভব হয়।” এই আয়েই চলে তাঁদের সংসার, সন্তানদের পড়াশোনা থেকে শুরু করে ঘর-খরচ, চিকিৎসা… সবকিছু। দিনের পর দিন এই কুটিরশিল্পের ঘূর্ণিতে ঘুরছে হাজারও পরিবারের চাকা। তামাকের গন্ধে ভরা ছোট ছোট ঘরই তাদের কর্মক্ষেত্র। বড় বড় তামাক কোম্পানির পাশাপাশি বিড়ি শিল্পও ভারতের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
advertisement