আকারে সরু ও শৌখিন প্রকৃতির। লম্বায় প্রায় ২- ৪ ফুট পর্যন্ত বা তার থেকে একটু বড় হতে পারে। শরীরে কালো, সবুজ ও লাল হলুদ রঙের মিশ্রণ দেখা যায়। সাধারণত শান্ত প্রকৃতির একটি সাপ। এই সাপ সাধারণত লোকালয় থেকে আলাদা গাছ- গাছালি জঙ্গলে থাকে। এদের খাবার ছোট পোকামাকড়, কিট-পতঙ্গ, ব্যাঙ টিকটিক। এই সাপ ক্ষীণ বিষ সাপ। কালনাগিনী সাপের বিষ মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়।
advertisement
আরও পড়ুন- পাহাড় নয়, এখন বাঁকুড়ার নতুন আকর্ষণ একটি দেওয়াল! শুশুনিয়া ঘুরতে গেলে মিস করবেন না
রাজাপুর থানার অন্তর্গত মাল পাড়ার লোকালয়ে সরু রাস্তার পাশেই সাপটি দেখা যায়। সাপটি দেখে স্থানীয় শিশুরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন স্থানীয় পরিবেশপ্রেমী যুবক শেখ আব্দুল রেজ্জাক। তিনি দেখেন, ক্ষীণ বিষের কালনাগিনী সাপ বা অরনেট ফ্লাইং স্নেক সুস্থ নয়। রেজ্জাক সাপটি উদ্ধার করেন এবং খবর দেন বন্যপ্রাণ সংরক্ষণকারী চিত্রক প্রামাণিককে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বন্যপ্রাণ উদ্ধারকারী রঘুনাথ মান্না সাপটি উদ্ধার করে আনেন। এর পর সাপটিকে একটি নিরাপদ জঙ্গলে মুক্ত করে দেওয়া হয়।
এই প্রসঙ্গে বন্যপ্রাণ উদ্ধারকারী চিত্রক বলেন, কালনাগিনী সাপ হাওড়া জেলায় খুব একটা দেখা যায় না। এই সাপ ভীষণ সুন্দর দেখতে এবং ক্ষীণ বিষধর। এর বিষে মানুষের কোনও ক্ষতি হয় না।
রাকেশ মাইতি





