জানা গিয়েছে, আধুনিকীকরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্লাস্টিক মালচিং এর ব্যবহার জনপ্রিয় হচ্ছে। এটি আধুনিক চাষাবাদের একটি উন্নত পদ্ধতি। মালচিং পেপারে এই চাষাবাদের পদ্ধতি অতি সহজ। স্বল্প জায়গায় ব্যাপক পরিমাণ আর্থিক লাভবান হতে এই চাষাবাদ পদ্ধতি গ্রহণ করলে যেকোন কৃষকের চাষাবাদের খাটনি অনেকটাই কমে আসবে। জল সেচের খুব একটা বেশি প্রয়োজন পড়বে না। এছাড়াও আগাছা চাষ জমিতে অনেকটাই কম জন্মাবে। ফলে ফসলের দ্রুত বৃদ্ধি হয়।
advertisement
আরও পড়ুন- বন্ধ হয়ে যাবে টেস্ট বিশ্বকাপ! WTC Final-এর আগেই হবে বড় সিদ্ধান্ত? ব্যাপারটি কী
এ বিষয়ে চাষি মিঠু বর্মন জানান, পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ১৫ কাঠা জমিতে প্রথম মালচিং পেপারের উপর রসুন চাষ করেন তিনি। যা পুরোপুরি আগাছা নিড়ানি করার জন্য শ্রমিক খরচ ছাড়াই। এতে গাছের গ্রোথ ভাল হবার পাশাপাশি মাটির ময়েশ্চার ধরে রাখে। জৈব সার হিসেবে গোবর সার, খোল, নিম খোল ইত্যাদি ব্যবহার করায় ভাল মুনাফা পাবেন বলে ব্যাপক ভাবে জোর দিয়েছেন রসুন চাষে।
তিনি আরও জানান, যে সব চাষি রসুন চাষে জোর দিতে চাইছেন সেক্ষেত্রে মালচিং পেপারের উপর চাষ করলে তাতে ফলন হয় দ্বিগুণ। বিভিন্ন সরকারি দফতরের থেকে যারা শিক্ষানবিশ চাষের উপর প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তাঁরা মাঝে মধ্যে এসে এখান থেকে মালচিং পেপারে কিভাবে চাষ করতে হয় সেই বিষয়ে খুঁটিনাটি খোঁজখবর নিয়ে থাকেন।
আরও পড়ুন- আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ভারতীয় দলে মহাচমক! কে থাকবে আর কে বাদ?
এই পদ্ধতিতে চারা রোপণের পর থেকে শুধুমাত্র দেখভাল করা ছাড়া আর তেমন কোনও পরিচর্যা করতে হয় না। মাটির সারিগুলো পলিথিন দিয়ে ঢেকে থাকার কারণে বাইরে থেকে কোনও ছত্রাক কিংবা রোগবালাই আক্রমণ করতে পারে না বলে কীটনাশক ব্যবহার করতে হয় খুবই কম।
বর্তমান চাষবাসের ক্ষেত্রে কিটনাশক সার অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। তবে জলঘর এলাকার এই রসুন চাষ নতুন দিগন্ত দেখাচ্ছে। এক কথায় বলতে গেলে প্রাকৃতিক উপায়েই মালচিং পেপারে চাষ করছেন মিঠু বাবু।
সুস্মিতা গোস্বামী





