তবে জিভে জল আনা এই ফুড কার্নিভালের নেপথ্যে রয়েছে অন্য কারণ। পড়ুয়াদের উদ্যোগপতি বানানোর প্রাথমিক ধারণা দেওয়াই মূল লক্ষ্য। বর্তমান সময়ে চাকরির পাশাপাশি নিজেদের স্বনির্ভর হওয়া জরুরি। সে কথা মাথায় রেখে মুগবেড়িয়া গঙ্গাধর মহাবিদ্যালয়ের পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগ এবং ইনস্টিটিউট অফ ইনোভেশন কাউন্সিল নতুন ধরনের শিক্ষা পদ্ধতি চালু করেছে। তাদের বিশ্বাস, পড়ুয়াদের হাতে-কলমে শেখানোই ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা তৈরি করতে সাহায্য করবে। তাই খাবার তৈরির পাশাপাশি পড়ুয়াদের শেখান হয়েছে প্রোডাক্ট প্রসেসিং, বাজার মূল্য বোঝা, প্রোডাক্ট বিক্রির কৌশল এবং মার্কেটিংয়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা।
advertisement
কলেজের এমন উদ্যোগে ছাত্র-ছাত্রীরাও খুশি। কেউ রান্না করছে। কেউ আবার ক্রেতার সঙ্গে কথা বলছে। কেউ আবার প্রোডাক্ট সম্পর্কে বোঝাচ্ছে। এভাবেই তাদের শেখান হচ্ছে পণ্য তৈরি থেকে বিক্রি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া। এই প্রসঙ্গে কলেজের অধ্যাপক ডঃ অপূর্ব গিরি বলেন, “ফুড কার্নিভাল শুধু উৎসব নয়। এটি পড়ুয়াদের উদ্যোগপতি বানানোর প্রথম ধাপ। নিজের হাতে তৈরি জিনিস বিক্রি করতে শেখা, দাম নির্ধারণ করা, বাজার বোঝা। কলেজের এই ফুড কার্নিভালই তাদের ভবিষ্যতে মূল শিক্ষা।” তাঁর মতে, ভবিষ্যতে যদি কোনও ছাত্র-ছাত্রী নিজস্ব ফুড ব্যবসা শুরু করতে চায়, তাহলে এই অভিজ্ঞতা তাদের অনেকটাই সাহায্য করবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ফুড কার্নিভালে অংশগ্রহণ করে প্রায় ১৪০ জন ছাত্রছাত্রী। তারা নিজেরাই সাজিয়ে তোলে স্টল। কী কী মেনু থাকবে তাও নিজেরাই ঠিক করে। প্রোডাক্ট তৈরি খরচ এবং কতটা লভ্যাংশ থাকা উচিত সেটাও এই কার্নিভালের মাধ্যমে বুঝতে পারে। পড়ুয়া, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, অ্যালুমনি-সহ স্থানীয় বাসিন্দারা ভিড় জমান এই ফুড কার্নিভালে। নতুন নতুন পদের স্বাদ নিতে ভিড় জমে প্রতিটি স্টলের সামনে।





