২০১৯ সালে UPSC পরীক্ষায় ২০ র্যাঙ্ক করেন তিনি। অবাক লাগছে? যে প্রশাসকদের অফিসের মধ্যে কিংবা সুরক্ষার বেড়াজালে দেখতে অভ্যস্ত সাধারণ মানুষ, সেই প্রশাসক হাত নেড়ে দর্শকদের গানে তাল মেলাতে বলছেন। এই দৃশ্য সত্যই বিরল।
প্রশাসনিক দিকে না আসলে হয়ত নেহা বন্দোপাধ্যায়কে আমরা গায়িকা হিসেবেই দেখতে পেতাম। প্রশাসনিক দফতরে কিংবা কর্মসূত্রে গ্রাউন্ড লেভেলেই তাঁকে বেশি দেখা যায়। সেই কারণেই বাঁকুড়ার জঙ্গল মহলের মহকুমা শাসকের এই গায়িকা রূপ নজর কেড়েছে একাধিক শ্রোতার।
advertisement
আরও পড়ুন: ‘কী হচ্ছে এসব! ছিঃ ছিঃ ছিঃ’, গর্জে উঠলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়
খাতড়া শহরের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একাধিকবার তাঁর গান শোনার সুযোগ পেয়েছেন অনেকেই। অতি সম্প্রতি ‘সঙ্গীতের শহর’ বিষ্ণুপুরের মানুষের মনও ‘গানে গানে’ জয় করা শেষে মুকুটমনিপুর মেলার সাংস্কৃতিক মঞ্চে তিনি যখন মাইক্রোফোন হাতে সূরের ঝড় তুলছেন তখন দর্শকাসনে অসংখ্য দর্শক। একাধিক গান গেয়ে তিনি মঞ্চ ছেড়ে আসার পরেও উপস্থিত মানুষের হাততালির রেশ শেষ হতেই চাইছিলনা। ব্যতিক্রমী এই সংস্কৃতি মনস্ক মহকুমাশাসককে পেয়ে খুশী খাতড়ার মানুষ। তাঁর হাত ধরেই সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে খাতড়া আরও অনেকখানি এগিয়ে যাবে বলে অনেকে মনে করছেন।
আরও পড়ুন: ‘কুণাল ঘোষের সঙ্গে বেশ বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছে’, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্যে তুঙ্গে শোরগোল
অন্যদিকে খাতড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কাশিনাথ মিস্ত্রিও গান গেয়ে সকলের মন জয় করে নিলেন। তবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যেভাবে গান গেয়ে মেলার শেষ দিনে সকলকে আপ্লুত ও আনন্দিত করলেন তাদের এই চেষ্টাকে কুর্নিশ জানিয়েছে সকলে।
—– নীলাঞ্জন ব্যানার্জী





