জানা যায়, চন্দ্রকোণার ছোটবালা গ্রামের প্রশান্ত কয়ারির সঙ্গে ২০১৯ সালে বিয়ে হয় দাসপুরের খেপুত উত্তরবাড়ের মৌসুমী চক্রবর্তীর। বিয়ের কয়েকমাস পরেই তাঁদের ডিভোর্স হয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ চাকরি নেই, গান গেয়েই চলছে সংসার! এক সময় অবহেলিত যুবক আজ সকলের চোখের মণি
ডিভোর্সের পর প্রশান্ত আবার বিয়ে করে ঘাটাল থানার হরেকৃষ্ণপুরের বনানী হড়কে। এদিকে বনানী যখন ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তখন প্রশান্ত মারধর করে বলে অভিযোগ তুলে বাপের বাড়ি চলে যায় বনানী। সেখানে তাঁর একটি পুত্র সন্তানও হয়, এখন তার বয়স ৭ মাস।
advertisement
এদিকে ডিভোর্সের পর প্রশান্তর আগের স্ত্রী মৌসুমী গত ৭ জুন ২০২৩ এ বিয়ে করে দাসপুরের সীতাপুরের যুবক প্রসেনজিৎ রায়কে। বিয়ের কিছুদিন পর ২৩ জুন মৌসুমী বাপের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি।এদিকে প্রসেনজিৎ-এর অভিযোগ করে বলেন, ‘মৌসুমী আমার সঙ্গে প্রতারণা করে, এমনকী তাঁর প্রাক্তন স্বামী প্রশান্তর কাছে চলে যায়। আমাকে তাঁরা দুজনে মিলে বলে মৌসুমীকে ডিভোর্স দিয়ে দিতে।’
আজ সেই ডিভোর্সের আবেদনের জন্যই সবাই আদালতে উপস্থিত হলে সেখানেই ঘটে এই নাটকীয় ঘটনা। আদালতের ভেতর থেকেই বনানীর মা ও বনানী, প্রশান্ত এবং তাঁর প্রাক্তন স্ত্রীকে টেনে নিয়ে গিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
এক কথায় আদালত চত্বরে ঘাটাল থানার পুলিশ আসে। প্রশান্তর বিরুদ্ধে বনানীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে,প্রশান্তকে আটক করে নিয়ে যায় ঘাটাল থানায়।
সুকান্ত চক্রবর্তী
