অভিষেককে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অভিষেক বয়সে ছোট। দুবার এমপি৷ ওকে বারণ করেছিলাম। এই দুর্যোগে এই প্রোগ্রাম না নিতে৷ কিন্তু এখনকার ছেলে মেয়েদের জেদ বেশি। তাঁরা মনে করে রাস্তায় থেকে মানুষকে চিনি। আর এটাই ওদের নব জোয়ার যাত্রা।” অভিষেক প্রসঙ্গে মমতা আরও বলেন, “এক্সাসাইজ করার সময় পাচ্ছে না। তাই স্টেজে হেঁটে হেঁটে করছে। স্টেজে একটাও চেয়ার নেই।”
advertisement
মমতা বলেন, “আমি একটা বড় কিমি যাত্রা করেছিলাম। বেলপাহাড়ি থেকে সিপিএম ঢুকতে দেয়নি। আমি জোগ্রামে ঢুকে পড়েছিলাম। দেখলাম আদিবাসী পরিবারে রান্না হচ্ছে। কাঠ পিঁপড়ে আর গাছের শিকর দিয়ে রান্না করতেন। আমি অনাহার দেখে এসেছিলাম। সাঁকরাইলে গিয়ে দেখে এসেছিলাম মাওবাদী উপদ্রুত এলাকায়। কিছুই ছিল না সেখানে। আমলাশোলের কথা অনেকের মনে নেই। দলের ইতিহাস জানতে হবে। আমি একটা জীবন্ত লাশ, আদিবাসী মহিলাদের বলছিলাম।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “রটে গিয়েছিল, আমি মারা গিয়েছি নাকি, সংসদ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আমি লড়াই করে, কষ্ট করে একটা দল তৈরি করেছি। প্রচুর ঘটনা আছে৷ অনেকে জানেন না। পারলে উপলব্ধি বইটা পড়বেন। ওখানে লেখা আছে।”
আরও পড়ুন, সোনা-রুপো কেনার কি এখনই সেরা সময়? চট করে জানুন আজকের দর
আরও পড়ুন, পুরীতে মারাত্মক দুর্ঘটনা! সমুদ্রে নামতেই এ কী বিপদ, আতঙ্কিত পর্যটকরাও
মমতা বলেন, “দিল্লিতে কুস্তিগীরদের আন্দোলনে মেয়েদের মেরেছে। কটা কেন্দ্রীয় দল গেছে। আমি কারও মৃত্যু চাই না। আমি মৃত্যুর রাজনীতি চাই না। আমি মানবিক রাজনীতি করি।”
