আমার আপনার ধারণা অনুযায়ি একজন শিক্ষকের পুরো দায়িত্বটাই ছাত্র-ছাত্রীকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ করে তোলা ৷ কিন্তু জানেন কি মাত্র ১৯.১ শতাংশ কাজের সময়ই ছাত্রছাত্রীকে পড়াতে বরাদ্দ করতে পারেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা ৷
না এরকম ভাববেন না তাঁরা কাজে ফাঁকি দিয়ে বেড়ান বাকি সময়টা ৷ তাঁদের এমন কিছু কাজ করতে হয় যার সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার কোনও সময় নেই ৷
advertisement
সরকারি শিক্ষকদের স্কুলের ডিউটির পাশাপাশি নির্বাচনী ডিউটি, বিভিন্ন রকম সার্ভে, পালস পোলিও-র প্রচারে কাজ করতে হয় ৷ এছাড়াও তাঁদের একটা বড় সময় যায় মিড ডে মিলের রেজিস্ট্রার সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে ৷
শিক্ষকরা যেখানে সক্রিয়ভাবে পঠনপাঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা সেখানে তাঁরা বেশিরভাগ সময়টাই যুক্ত থাকেন পঠন-পাঠনের থেকে বাইরের অন্য বিষয় নিয়ে ৷
সম্প্রতি এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে শিক্ষকরা ১৯.১% সময় পড়ানো ছাড়া বাকি ৮১ শতাংশ সময়ে অন্য কাজগুলিই করে থাকেন ৷ তারমধ্যে ৪২.৬ %সময় থাকে নন টিচিং কোর অ্যাকটিভিটিতে আর ৩১.৮ % নন টিচিং স্কুল সংক্রান্ত কাজে এবং ৬.৫ % থাকে ডিপার্টমেন্টের বিভিন্ন কাজে ৷
আরও পড়ুন - ঘরণী অনুষ্কার পথেই বিরাটও? ট্রেলরে বিরাট কোহলি!সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে চাঞ্চল্য
পরিসংখ্যান অনুযায়ি সারা দেশে ১৪.৬৭ লক্ষ স্কুল রয়েছে৷ যার মধ্যে ১০.৭ লক্ষ সরকারি স্কুল এবং ৩.৪৯ লক্ষ বেসরকারি স্কুল ৷ ১১ কোটি শিশু শিক্ষালাভ করে ৷ যারমধ্যে সরকারি স্কুলে যায় ৭.৪৩ কোটি শিশু এবং বেসরকারি স্কুলে যায় ৬ কোটি শিশু ৷ সারা দেশে ৮০.৭ লক্ষ মানুষ শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ৷
