সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে উমর খালিদের সঙ্গে নিজের সংক্ষিপ্ত কথপোকথন সোশ্যাল মিডিয়া ‘X’ -এ পোস্ট করেন তাঁর পার্টনার বনজ্যোৎস্না লাহিড়ী৷ সেখানে উমর বলেন, ‘‘যাঁরা জামিন পেল তাঁদের জন্য আমি সত্যিই খুব খুশি৷ খুব স্বস্তি পেয়েছি৷’’ তখন বনজ্যোৎস্না তাঁকে বলেন, ‘‘আমি কাল দেখা করতে যাব (তিহার জেলে, যেখানে উমর খালিদ বর্তমানে বন্দি)’’৷ উত্তরে উমর জানন, ‘‘ভাল ভাল, চলে এসো৷ এখন তো এটা (আমার) জীবন৷’’
advertisement
২০২০ সালের দিল্লি হিংসা কাণ্ডে অভিযুক্ত শারজিল ইমাম এবং উমর খালিদের জামিনের আবেদন সোমবার খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট৷ জানিয়েছে, ওই দু’জনের বিরুদ্ধেই হিংসায় প্ররোচনা দেওয়ার মতো যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ রয়েছে৷ বিচারপতি আরবিন্দ কুমার এবং এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ জানায়, শুধুমাত্র বিচারপ্রক্রিয়ায় দেরি হওয়াকারও জামিনের ‘ট্রাম্প কার্ড’ হতে পারে না৷ এদিন জামিন মঞ্জুর হয়েছে গুলফিসা ফাতিমা, মীরান হায়দার, শিফা উর রেহমান, মহম্মদ সলিম খান এবং শাহদাব আহমেদের৷
২০২০ সালে ২৮ জানুয়ারি CAA বিরোধী আন্দোলনে উস্কানিমূলক বক্তৃতা করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় শারজিল ইমামকে৷ ষড়যন্ত্র মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় ওই বছরের অগাস্টে৷ উমর খালিদকে ২০২০ সালেরই ১৩ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা হয়৷ এঁদের দু’জনের বিরুদ্ধেই দেশদ্রোহমূলক আইন UAPA-এর অধীনে মামলা করে দিল্লি পুলিশ৷
২০২০ সালের ২৪ জানুয়ারি CAA এবং NRC বিরোধী শআন্তিপূর্ণ আন্দোলন হঠাৎ করেই হিংসার রূপ নেয়৷ উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে ছড়িয়ে পড়ে হিংসা৷ সেই সময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত সফরে ছিলেন৷
আদালত জানিয়েছে, খালিদ এবং ইমাম কয়েকজন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়ার পরে অথবা ১ বছর পরে নতুন করে জামিনের আবেদন করতে পারবেন৷
