কেদারনাথ-বদ্রীনাথ মন্দির কমিটি জানিয়ে দিয়েছে, চার ধামের শতাব্দী প্রাচীন কেদারনাথ এবং বদ্রীনাথ মন্দিরে হিন্দু ধর্মের বাইরে কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না৷ মন্দির কমিটির পরবর্তী বৈঠকেই এই প্রস্তাব রাখা হবে৷
মন্দির কমিটির প্রেসিডেন্ট হেমন্ত দ্বিবেদী জানিয়েছেন, তাদের অধীনে থাকা সব মন্দিরেই অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে৷ তাঁর যুক্তি, কেদারনাথ এবং বদ্রীনাথ মন্দির পর্যটন কেন্দ্র নয়, ফলে সেখানে সবার প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করলে তা নাগরিক অধিকারকে খর্ব করে না৷
advertisement
সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দ্বিবেদী আরও বলেন, ‘কেদারনাথ এবং বদ্রীনাথ মন্দির পর্যটন কেন্দ্র নয়৷ এগুলি বৈদিক পরম্পরায় আদি শঙ্করাচার্যের এই দুই ধাম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন৷ ভারতীয় সংবিধানের ২৬ নম্বর ধারায় প্রত্যেক ধর্মকেই তাদের ধর্মীয় বিষয়গুলি নিয়ন্ত্রণের অধিকার দেওয়া হয়েছে৷ এই সিদ্ধান্ত কারও বিরুদ্ধে নয়, বরং শতাব্দী প্রাচীন আস্থা, শৃঙ্খলা এবং পবিত্রতা রক্ষার চেষ্টা৷’
সেক্ষেত্রে কেদারনাথ এবং বদ্রীনাথ মন্দিরে শিখ এবং জৈন ধর্মের মানুষ প্রবেশ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় থাকছেই৷ এনডিটিভি-কে হেমন্ত দ্বিবেদী বলেন, ‘সনাতন ধর্মে যাঁদেরই বিশ্বাস আছে, তাঁদের প্রত্যেককেই কেদারনাথ এবং বদ্রীনাথ ধামে স্বাগত৷’
একই সঙ্গে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে শুক্রবার জানানো হয়েছে, ছ মাস বন্ধ থাকার পর আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে বদ্রীনাথ মন্দির ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে৷ হেমন্ত দ্বিবেদী আরও জানিয়েছেন, প্রথা মেনে বসন্ত পঞ্চমীর দিন তেহরি জেলার নরেন্দ্র নগরে পুজো এবং আচার পালনের পরই মন্দির খোলা শুভদিন এবং সময় স্থির করা হয়েছে৷
এর পাশাপাশি এ বছর গঙ্গোত্রি এবং যমুনোত্রি মন্দির খোলার দিনও জানানো হয়েছে৷ আগামী ১৯ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়ার দিন গঙ্গোত্রি এবং যমুনোত্রি পুণ্যার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে৷
