মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে আইপ্যাক অফিসে তল্লাশিতে বাধা দেওয়া হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা করে ইডি৷ মোট ১২ দফা আর্জি জানিয়ে মামলা করা হয়৷ যদিও এজলাসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় সেই মামলার শুনানি ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ৷ এর পরই ইডি-র পক্ষ থেকে জরুরি শুনানির আর্জি জানানো হয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সচিবালয়ে৷ কিন্তু সেই আবেদনও ফিরিয়ে দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল৷
advertisement
বিষয়টি সম্পর্কে ওয়াকিবহল নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্রের দাবি, ইডি-র আইনজীবীরা শীর্ষ আদালতে যাওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন৷ কারণ তাঁরা দাবি করতেই পারেন, যথাযথ বিচার পাওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টই সবথেকে ভাল বিকল্প৷ সমস্ত আইনি পথই খতিয়ে দেখছেন ইডি-র আইনজীবীরা৷
যদিও ইডি-র অভিযোগ উড়িয়ে এ দিন পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও৷ আইপ্যাক কাণ্ডে ইডি-র পদক্ষেপের প্রতিবাদে এ দিন যাদবপুর থেকে হাজরা পর্যন্ত মিছিল করেন তৃণমূলনেত্রী৷ সেই মিছিল শেষেই তিনি দাবি করেন, আমি কোনও অন্যায় করিনি৷ গতকাল যা করেছি তৃণমূলের চেয়ারপার্সন হিসেবে করেছি৷ তুমি আমাকে খুন করতে এসেছো৷ আমারও আত্মরক্ষার অধিকার আছে৷ আমার সব বিএলএ-২, আমার সব তথ্য চুরি করেছো। তোমরা ৬ টায় ঢুকেছো, আমি তো ১১.৪০ নাগাদ ঢুকছি। ততক্ষণে সব সরিয়ে নিয়েছো। আমি প্রতীককে (জৈন)ফোন করলাম, দেখলাম ফোনটা ধরল না। আমি দেখলাম জোড়া ফুল চিহ্নে তো আমরা দাঁড়াই৷ জোড়া ফুল, পার্টি যদি রক্ষা না হয়, লড়াইটা করব কী করে? একটা মঞ্চ তো দরকার৷
