বন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত প্রায় এক ডজন কুমির ধরা হয়েছে গঙ্গা সংলগ্ন হরিদ্বারের জনবহুল এলাকা থেকে৷ লকসর এবং খানপুর এলাকায় ২৫ জন বনকর্মীর বিশেষ দল নিয়োগ করা হয়েছে কুমির ধরার জন্য৷ তাঁরা কাজ করছেন দিনভর৷
গত সপ্তাহে প্রবল বর্ষণে গঙ্গার জলস্তর বেড়ে গিয়ে প্লাবিত হয়ে গিয়েছে লকসর এবং খানপুর অঞ্চল৷ সোনালি নদীতে বাঁধের একাংশে ফাটল ধরে আরও বিপজ্জনক হয়েছে পরিস্থিতি৷ গত সপ্তাহে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী প্লাবিত গ্রামগুলি পরিদর্শন করেন৷ লকসরের কিছু এলাকায় সোমবার জলস্তর নেমে গিয়েছে৷ কিন্তু মঙ্গলবার ফের ভারী বৃষ্টি হওয়ায় নতুন করে প্লাবিত হয় কিছু এলাকা৷
advertisement
স্থানীয় বাসিন্দা অমিত গিরি জানিয়েছেন খানপুরের খেদিকালান গ্রামে একজনের বাড়ির বাথরুমে আশ্রয় নেয় একটি বানভাসি কুমির৷ বন দফতরের কর্মীরা সরীসৃপটিকে উদ্ধার করে ফেরত পাঠায় নদীতে৷ বন দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন জল কমার সঙ্গে সঙ্গে অনেক কুমির ফিরে গিয়েছে মূল বড় নদীতে তাদের পুরনো অঞ্চলে৷ তবে কিছু কুমির এখনও রয়ে গিয়েছে লোকালয়েই৷ বনগঙ্গা ও সোনালি নদী বেয়ে আসা এই কুমিরের দল তাদের নতুন ঠিকানা করেছে গ্রামের পুকুর এবং বড় নর্দমাগুলিকে৷
