রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়ির ভিতর থেকে ওই যুগলের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ৷ দু জনের দেহেই গুলির আঘাত ছিল৷ গাড়ির ভিতর থেকে একটি রিভলবার এবং গুলির খোলও উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, প্রেমিকাকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন যুবক৷ যদিও মৃত যুবকের পরিবারের অভিযোগ, ওই যুগলকে খুনও করা হয়ে থাকতে পারে৷
advertisement
শনিবার নয়ডার সেক্টর ১০৭ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে৷ সকালবেলা গুলির শব্দ পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারাই পুলিশে খবর দেন৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি গাড়ির ভিতর থেকে ওই যুগলকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ৷
পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুবক এবং যুবতী শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরনোর পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন৷ গত ১৫ বছর ধরে রেখা এবং সুমিতের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল৷ কিন্তু পরিবারের চাপে রেখা অন্য একজন পুরুষকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছিলেন৷ সেই আক্রোশেই তাঁর প্রেমিক সুমিত এই ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অনুমান তদন্তকারীদের৷
এই কাণ্ড ঘটানোর আগে নিজের পরিবারকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি মেসেজ পাঠান সুমিত৷ সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমি নিজের জীবন শেষ করতে চলেছি৷ এর জন্য একমাত্র রেখাই দায়ী৷ ১৫ বছর ধরে সম্পর্কে থাকার সময় ও আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছে৷ এখন ও অন্য কাউকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ যেহেতু ও আমাকে ঠকিয়েছে, আমি নিজেকে শেষ করে দেবো৷’
যে জায়গায় ওই গাড়িটি উদ্ধার হয়, তার আশেপাশে কোনও সিসিটিভি ক্যামেরা নেই৷ ফলে কাছাকাছি অন্যান্য রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা বোঝার চেষ্টা করছেন ঠিক কখন ওই যুগল ঘটনাস্থলে পৌঁছন৷ জানা গিয়েছে, সুমিতের একটি জলের প্ল্যান্টের ব্যবসা ছিল৷ অন্য দিকে রেখা একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করতেন৷
