দুই সন্তানকে নিয়ে একাই থাকতেন মহিলা ৷ কারণ তাঁর স্বামী কাজের সূত্রে গাজিয়াবাদে থাকেন ৷ শনিবার রাতেও দুই সন্তানকে নিয়ে বাড়িতেই ঘুমোচ্ছিলেন ওই মহিলা ৷ সেই সময়ই তার বাড়িতে চড়াও হয় পাঁচ দুষ্কৃতী ৷ পাঁচজন মিলে দুই মেয়ের সামনেই ওই মহিলাকে লাগাতার ধর্ষণ করে ৷ এরপর দুষ্কৃতীরা তার বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলে ওই মহিলা তার স্বামী এবং ভাইকে ফোন করার চেষ্টা করেন একাধিকবার কিন্তু ফোন না পাওয়ায় অবশেষে তার এক আত্মীয়াকে ফোন করে গোটা ঘটনাটি জানান ৷ কিন্তু পুলিশে জানানোর আগেই ফের সেই বাড়িতে ফিরে আসে ওই পাঁচ দুষ্কৃতী ৷ তাকে আবার ধর্ষণ করার চেষ্টা করে অভিযুক্তরা ৷ কিন্তু ওই মহিলা বাধা দেন ৷ এরপর ওই মহিলাকে রক্তাক্ত অবস্থাতেই টানতে টানতে তাদের বাড়ির সামনে একটি মন্দিরে নিয়ে যায় ৷ সেখানে জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডে ওই মহিলাকে ছুঁড়ে ফেলে দেয় অভিযুক্তরা ৷
advertisement
আরও পড়ুন: বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের দাবি মানল প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্য়ালয় কর্তৃপক্ষ, উঠল অবস্থান বিক্ষোভ
ওই মহিলার স্বামীর দাবি, ধর্ষণের পর প্রাণ বাঁচাতে তাঁর স্ত্রী ১০০-তে ফোন করে প্রাণভিক্ষা চেয়েছিলেন ৷ কিন্তু সেই ফোনের পরও কোনও সাহায্যে পাননি ওই মহিলা ৷ সেই সময়ই ফিরে আসে ওই পাঁচ দুষ্কৃতী ৷ আর তাকে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করে অভিযুক্তরা ৷ সেই সময়ই বাধা দেন ওই মহিলা ৷ আর সেই অপরাধেই খুন হত হল বলে দাবি মহিলার স্বামীর ৷
অভিযুক্ত পাঁচ ব্যক্তিকেই চিহ্নিত করেছে রাজপুরা থানার পুলিশ ৷ অভিযুক্ত আরাম সিং, মহাবীর, চরন সিং, গুল্লু এবং কুমারপালের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে ৷ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ডি (গণধর্ষণ), ৩০২ (খুন), ২০১(প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা), ১৪৭( নৃশংসতা) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে৷
নিগৃহিতা মহিলার তার আত্মীয়াকে করা অডিও ক্লিপ রেকর্ড করেই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করেছে পুলিশ ৷ অভিযুক্তরা এখনও অবধি পলাতক হলেও দ্রুত তাদের গ্রেফতার করার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ ৷
