আরও পড়ুন: মাসে ৮০০০ টাকা বেতন পেতেন, তার বাড়িতে টাকার পাহাড়! হাতে গোনা গেল না, আনতে হল মেশিন
সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি এখানে আজ অনুষ্ঠান করলাম। কারণ আমি চাই সমাজ সেবা করতে। মানস স্তম্ভ করলাম কারণ অহংকার ছেড়ে আমি এসেছি”।
পাশাপাশি অন্য রাজ্যে বাংলার মানুষদের প্রতি আক্রমণের ঘটনা ঘটলেও বাংলায় সব মানুষ একসঙ্গে মিলেমিশে থাকেন। সেই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জৈন ধর্মের আপনাদের পবিত্র প্রার্থনা স্তম্ভ এখানে আজ উদ্বোধন হল। চার ভাষায় এই মন্ত্র লেখা রয়েছে। জৈন ধর্মের সাথে আমাদের রাজ্যের সম্পর্ক আছে। বর্ধমান জেলার ও পুরুলিয়া জেলায় অনেক মন্দির আছে। আমি পরেশনাথ মন্দিরে অবধি গিয়েছি। আমি গুজরাটি ভাষা, মাড়োয়ারি ভাষা জানি। এর একাধিক শব্দ আমাদের বাংলা শব্দের সাথে সংযুক্ত। যেমন আমরা বলি কেমন আছো? আপনারা গুজরাতিতে বলেন কেম ছো?”
advertisement
সর্ব ধর্মের সমন্বয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা বাংলায় সব ধর্মের সম্মান করি। স্কুলে ছোট থেকে সব ধর্মের বিষয়ে পড়াশোনা করানো হয়। আজ সন্ত গুরুদ্বার গেট করে দিয়েছি। কাল রাসবিহারী গুরুদ্বারা থেকে পাটনা সাহিব অবধি বাস যাত্রা হয়েছে”।
সব শেষে সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “রমজান মাস চলছে। সবাই শান্তিতে থাকুন। হোলি ও দোল আসছে। এবারে হোলি-দোলের বড় উৎসব করছি। আমি সেখানে ডান্ডিয়া খেলব। আমার জন্য নিয়ে আসবেন”।
