প্রসঙ্গত, অনেক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় সওয়াল করেছেন শীর্ষণ্য। তার মধ্যে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি এবং আরজি কর মামলা ছিল অন্যতম। এ ছাড়া সম্প্রতি এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি, লিপস্ অ্যান্ড বাউন্স, বিধাননগরে বেআইনি হোর্ডিং মামলা, ঝাড়গ্রাম মেডিকেল কলেজে চিকিৎসক মৃত্যুর মতো মামলায় গুরুত্বপূর্ণ মামলায় রাজ্যের হয়ে লড়াই করেন শীর্ষণ্য। তাঁকেই এবার মীনাক্ষীর বিরুদ্ধে প্রার্থী করল তৃণমূল।
advertisement
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে পরিবর্তনের হাওয়ায় তৃণমূল প্রার্থী অনুপ ঘোষাল পেয়েছিলেন ১ লক্ষ ৪ হাজার ৭৫৩ ভোট। পরিসংখ্যান ৫৯.৭৭%। দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন CPIM প্রার্থী শ্রুতিনাথ প্রহরাজ। পেয়েছিলেন ৬১ হাজার ৫৬০ ভোট। যা হয় ৩৫.১২%। BJP-র প্রণব চক্রবর্তী পেয়েছিলেন ৬ হাজার ১৬১ ভোট। পরিসংখ্যান ৩.৫২%।
২০১৬ সালে তৃণমূলের প্রবীর ঘোষাল পেয়েছিলেন ৮৪ হাজার ৯১৮ ভোট। পরিসংখ্যান ৪৪.৮৯%। দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন CPIM প্রার্থী শ্রুতিনাথ প্রহরাজ। পেয়েছিলেন ৭২ হাজার ৯১৮ ভোট। পরিসংখ্যান ৩৮.৫৫%। তৃতীয় স্থানে BJP প্রার্থী পেয়েছিলেন কৃষ্ণা ভট্টাচার্য। ভোটের হার ছিল ১২.৫২%।
২০২১ সালে তৃণমূল প্রার্থী কাঞ্চন মল্লিক পেয়েছিলেন ৯৩ হাজার ৮৭৮ ভোট। ভোটের হার ছিল ৪৬.৯৬%। BJP প্রার্থী প্রবীর কুমার ঘোষাল দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। পেয়েছিলেন ৫৭ হাজার ৮৮৯ ভোট। ভোটের হার ছিল ২৮.৯৬%। CPIM তৃতীয় স্থানে। প্রার্থী রজত বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছিলেন ৪২ হাজার ৭১৮ ভোট। পরিসংখ্যান ২১.৩৭%।
