ট্যাংরার দে পরিবারের জীবিত নাবালক শিশু সুরক্ষা কমিশনের কাছে মা, কাকিমা এবং দিদির মৃত্যু নিয়ে মুখ খুলেছে। তার সঙ্গে এনআরএস হাসপাতালে দেখা করতে গিয়েছিলেন শিশু সুরক্ষা কমিশনের পরামর্শদাতা এবং অন্য প্রতিনিধিরা। হাসপাতাল থেকে ছুটি পাওয়ার পর নাবালকের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনও অনিশ্চিত। কোনও আত্মীয় তার দায়িত্ব নিতে চাননি। তার জন্য হোমের ব্যবস্থা করছে পুলিশ। নাবালক শিশু সুরক্ষা কমিশনকে জানিয়েছে, সে দাবা খেলতে পারে। পারিবারিক ব্যবসায় যে মন্দা দেখা দিয়েছে, কয়েক মাস আগেই তা সে পেয়েছিল। সে ভেবেছিল, দাবার টুর্নামেন্ট খেলে অর্থ উপার্জন করে পরিবারের দুঃখ ঘোচাবে। কিন্তু তার আগেই সপরিবার মৃত্যুর পরিকল্পনা তার কানে আসে। বাড়ির বড়দের একসঙ্গে বসে এ বিষয়ে কথা বলতে শুনেছিল সে। দাবি, সেই আলোচনায় তাকে থাকতে দেওয়া হয়নি। ঘর থেকে বার করে দেওয়া হয়েছিল।
advertisement
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Feb 28, 2025 10:18 PM IST
