প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের IAS-IPS বদলিতে স্থগিতাদেশ চেয়ে করা মামলা খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এই মামলায় রাজ্যের আইএএস-আইপিএস আধিকারিকদের রদ বদলে কোনও হস্তক্ষেপই করেনি কলকাতা হাইকোর্ট।
মামলায় প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ দিয়ে মূলত ১২ কারণ স্পষ্ট করেছে:
১) যেহেতু এই অফিসারদের অল্প সময়ের জন্য সরানো হচ্ছে, তাই নির্বাচন কমিশনের উপর কোনও বাধ্যবাধকতা নেই যে প্রতিটি ট্রান্সফারের কারণ ব্যাখ্যা করবে। এই ধরনের ট্রান্সফার সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য, প্রেক্ষিত বুঝতে হবে।
advertisement
২) অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টও মত দিয়েছিল, নির্বাচনের সময় অফিসারদের ট্রান্সফার করতে গেলে কমিশন কারণ দেখাতে বাধ্য নয়।
৩) এলাহাবাদ হাইকোর্ট রায়ে বলেছে—সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনের ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে। ফলে ট্রান্সফার করাও সেই ক্ষমতার মধ্যে পড়ে।
৪) জনস্বার্থ মামলাকারী এবং রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) বিভিন্ন আইনি যুক্তি দিয়েছেন। কিন্তু তাঁরা কোথাও বলেনি কমিশনের ক্ষমতা নেই। তাঁদের বক্তব্য, কমিশন ইচ্ছামতো ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। আদালতও মনে করছে, সংবিধানের ৩২৪ ধারা অনুযায়ী কমিশনের ক্ষমতা আছে।
