পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৮টা নাগাদ পঞ্চাননতলা এলাকার একটি ক্লাবে পিকনিক চলাকালীন প্রথমে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তা সংঘর্ষে পরিণত হয়। অভিযোগ, উভয় পক্ষের লোকজন রাস্তায় নেমে ইট-পাটকেল ছোড়ে, বোমা ফাটায় এবং গুলি চালানো হয়।
advertisement
সংঘর্ষের সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা একাধিক মোটরবাইক ও যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। পুলিশের একটি গাড়িতেও ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ ওঠে। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া যায় গুলির খোল, বোমার সুতলি।
এই ঘটনায় এক স্থানীয় বাসিন্দা চন্দন দাসের পায়ে গুলি লাগে। অপর আহত ব্যক্তি সনৎ সিং, যাঁর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। দু’জনকেই উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের চিকিৎসা চলছে।
আরও পড়ুন: কতদিন ‘বাঁচবেন’? আয়ুর বড় ‘ক্লু’ লুকিয়ে রয়েছে নখেই! নিজে দেখেই বুঝতে পারবেন কীভাবে? জানুন
স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রমোটিং সংক্রান্ত পুরোনো শত্রুতা থেকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এলাকায় বাড়ানো হয়েছে পুলিশি নজরদারি ও পেট্রোলিং।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ১০ জন হল—
ববি হেলা, অর্জুন মল্লিক, শেখ বাচ্চু, মুকেশ পাসওয়ান, রবিন দাস, সুজন হালদার, রাজ হালদার, গোপাল সরকার, অজয় হালদার ও সন্দীপ নস্কর।
ঘটনা প্রসঙ্গে কলকাতা পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার বলেন, “কাউকেই ছাড়া হবে না। ঘটনার সঙ্গে যারা যুক্ত, সবার বিরুদ্ধেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এলাকায় পেট্রোলিং চলছে।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্র সরোবর থানায় মামলা রুজু করে ঘটনার পূর্ণ তদন্ত শুরু হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
