কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে ভোটার তালিকায় মোট ৭ কোটি ৬৬ লক্ষের কিছু বেশি ভোটারের নাম ছিল৷ এসআইআর শুরু হওয়ার পর প্রথমে যে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয় তাতেই ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৫৯৫ জনের নাম বাদ যায়৷ মৃত, খোঁজ না পাওয়া, ডুপ্লিকেট ভোটারদের নাম খসড়া তালিকাতেই বাদ দিয়ে দেওয়া হয়৷ ফলে ভোটার তালিকায় মোট ভোটারের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ৷
advertisement
শুনানি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর মোট ১ কোটি ৫২ লক্ষ ভোটারকে নোটিস পাঠায় কমিশন৷ এর মধ্যে ১ কোটি ২০ লক্ষকে লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি বা যুক্তিগ্রাহ্য তথ্যবিভ্রাটের কারণে নোটিস পাঠিয়ে শুনানিতে ডাকা হয়৷ পাশাপাশি আরও ৩২ লক্ষ্য আনম্যাপড ভোটারকেও শুনানিতে ডাকা হয়৷
কমিশন সূত্রে খবর, এঁদের মধ্যে ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার ভোটার শুনানিতে হাজিরাই দেননি৷ যাঁরা শুনানিতে হাজির হয়ে নথি জমা দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যেও ১ লক্ষ ৬৩ হাজার ভোটারের জমা দেওয়া নথিতে সন্তুষ্ট নয় কমিশন৷ ফলে তাঁদের নামও বাদ যাচ্ছে৷ ফলে প্রাথমিক খসড়া তালিকায় বাদ যাওয়া ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৫৯৫ জনের সঙ্গে শুনানি পর্বে বাদ যাওয়া এই নামগুলি যোগ হবে৷ সব মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়াচ্ছে ৬৪ লক্ষ ৮১ হাজার ৫৯৫৷
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ লক্ষ নথি যাচাই বাকি রয়েছে৷ ফলে লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সিতে বাদ যাওয়া নামের সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল৷
