স্টেশন চত্বর জুড়ে ইতিমধ্যেই তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী মঞ্চ। সাজানো হয়েছে সুদৃশ্য মঞ্চ, পাশাপাশি লাগানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় বড় কাট আউট। বিজেপির পতাকা ও ব্যানারে ভরে উঠেছে গোটা এলাকা। কর্মী-সমর্থকদের স্বাগত জানাতে বিভিন্ন জায়গায় শিবিরও করা হয়েছে, যেখানে তাঁদের বিশ্রাম ও জলখাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
advertisement
‘হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে!’ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে প্রথম মুখ খুলেই কড়া অবস্থান মোজতবার
সকালে উত্তরবঙ্গ থেকে আসা কর্মীদের জন্য জলখাবারের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভাত, ডাল এবং সবজি পরিবেশন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা কর্মীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেই লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।
এই জমায়েতে উপস্থিত রয়েছেন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতি রাভা রায়কেও কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে আসা কর্মীদের উৎসাহিত করতে এবং ব্রিগেডের কর্মসূচিতে তাঁদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তাঁরা সক্রিয়ভাবে উপস্থিত রয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।
শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে সকাল থেকেই কর্মীদের ভিড় ক্রমশ বাড়ছে। উত্তরবঙ্গ থেকে একের পর এক ট্রেন পৌঁছনোর সঙ্গে সঙ্গে ভিড় আরও বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ ও রেল পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের এই জমায়েত ঘিরে শিয়ালদহ চত্বর কার্যত উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে।
