জানা যাচ্ছে, নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকা নিয়ে মহুয়া যে অভিযোগ করেছিলেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর। সিইও দফতর সূত্রে খবর, ওই কেন্দ্রে ভোটার তালিকায় ১০৭টি আবেদন দুই ধরনের ছিল বলে স্পষ্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে আপিল অন্তর্ভুক্ত ছিল। পাশাপাশি ফর্ম-৬ সংক্রান্ত অনলাইন আবেদনও জমা পড়েছিল নির্ধারিত সময়ের আগেই। এই সব আপিল আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হবে।
advertisement
ফলে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলেও দাবি করা হয় সিইও দফতরের পক্ষ থেকে। এই প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ার এক্স হ্যান্ডলে মহুয়া মৈত্র-এর পোস্ট ট্যাগ করে পোস্ট করা হয় ceo দফতরের পক্ষ থেকে।
প্রসঙ্গত, ফর্ম-৬ জমা নিয়ে বুধবার সরব হয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এইদিন একটি জনসভাতে, ওই সভা থেকে তিনি অভিযোগ করেন রাজ্যের বাসিন্দাদের নাম বাদ দিয়ে ভিন রাজ্যের মানুষদের নাম ঢোকাচ্ছে কমিশন। সোমবার নানুরের সভা থেকে ফের সেই নিয়ে গর্জে উঠলেন মমতা৷ বলেন, ‘‘বাইরের নাম ঢোকাচ্ছিল। পদ্মফুলের বস্তায়। সুপ্রিম কোর্ট বলে দিয়েছে হবে না।’’
এদিনের সভামঞ্চ থেকে মমতা সিপিএম বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করে বলেন, ‘‘আগে যেটা সিপিএম করতো, এখন বিজেপি করে। বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। যেন উকুন বাদ দিচ্ছে।
আমি সুপ্রিম কোর্টে গেছিলাম, তাই ২২ লক্ষ নাম তোলা গেছে। লোকালি ট্রাইব্যুনালে দরখাস্ত করুন। আইনি সহায়তা আমরা দেব। সুপ্রিম কোর্ট ভাল রায় দিয়েছে। বাইরের নাম ঢোকাচ্ছিল। পদ্মফুলের বস্তায়। সুপ্রিম কোর্ট বলে দিয়েছে হবে না। ’’
