পাতিপুকুর থেকে স্লটলেক, উল্টোডাঙা থেকে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, কলেজ স্ট্রিট, মুক্তাবাবু স্ট্রিট, কলেজ স্ট্রিট, ক্যামাক স্ট্রিট সব রাস্তাই প্রায় জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এজেসি বোস ফ্লাইওভারেও প্রচুর জল জমে যায়।
আরও পড়ুন: বিশ্বের প্রথম ‘ছাতা’ কোথায় তৈরি হয়েছিল বলুন তো…? চমকে যাবেন ‘উত্তরে’!
জোয়ার থাকার কারণে গতকাল রাত সাড়ে ১১টা থেকে ভোর রাত সাড়ে ৩টে পর্যন্ত লক গেট বন্ধ ছিল তাই জল নামেনি বলেই মনে করা হচ্ছে। তার ফলে জল নিষ্কাশনের জন্য বেগ পেতে হয়েছে পুরসভার কর্মীদের। তবে সকাল থেকেই শহরের যেখানে জল জমেছে সেই সব রাস্তায় দেখা পুরসভার প্লাম্বিং কার, ম্যানহোলগুলিকে খুলে দিয়ে পাম্পের মাধ্যমে চলে জল নিষ্কাশনের কাজ।
advertisement
তবে শুধু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাই নয় শহরের একাধিক হাসপাতালেও জলমগ্নের ছবি ধরা পড়েছে। জল জমে যায় ঐতিহ্যবাহী কলকাতা মেডিক্যাল কলেজেও৷ রোগীদের যেখানে রক্ত পরীক্ষা করা হয় সেই বিল্ডিং-এর বাইরে জল জমে যায়। যার ফলে রোগীদের সমস্যার ছবি উঠে আসে। হাঁটু সমান জলে পা রেখে লাইন দিয়ে তারপর রক্ত পরীক্ষার জন্য যেতে পারছেন রোগীরা।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে উত্তর বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ অঞ্চল। তার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় দুর্যোগের পূর্বাভাস রয়েছে। শুক্রবারও দক্ষিণের সব জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সোনা না, রুপো না…! পৃথিবীতে আরও বেশি ‘দামি’ এই ‘কাঠ’, চন্দন নয়, চমকাবেন নামেই!
পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ায় আজ, শুক্রবার ভারী থেকে অতি ভারী (৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার) বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ওই দুই জেলার কিছু অংশে অতি প্রবল (২০ সেন্টিমিটারের বেশি) বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
দুই জেলাতেই জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়ায় হতে পারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি। জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। কলকাতা-সহ দক্ষিণের বাকি জেলায় ভারী (৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার) বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রাতেও।
