মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বইমেলা কমিটি অনেক খাটাখাটি করে। নানা স্টল, এনজিও, লিটল ম্যাগাজিন স্টল, গদ্য থেকে পদ্য সবটাই থাকে। আমাকে প্রতিবার ডাকেন। আমি যখন বিরোধী নেত্রী ছিলাম ময়দানের আগুন লাগার সময়েও আমি গিয়েছিলাম। রয়েছেন স্বপ্নময় চক্রবর্তী, তিনি প্রখ্যাত সাহিত্যিক। আমাদের এখানে পুলিশও স্টল দেয়। সবাই এখানে থাকে। এটা ৪৯ তম বইমেলা। আগামী বছর ৫০ বছর। বইমেলা আমাদের আবেগ। আমাদের সংস্কৃতি। এই বইমেলা দেশ ও বিদেশে বিখ্যাত। পৃথিবীর প্রাচীনতম বইমেলায় গত বার ২৭ লক্ষ মানুষ এসেছিলেন। ২৩ কোটি বিক্রি হয়েছিল। এবার সেটা ছাড়িয়ে যাবে।’
advertisement
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কর নিই না। আমরা সবাইকে সাহায্য করছি। তবে এতে কৃতিত্ব নেওয়ার কিছু নেই। এটা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমি খুশি হয়েছি মহাশ্বেতাদি, প্রতুল দা, উত্তম কুমারের নামে হল হয়েছে। বইয়ের ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। বই সবার মান সম্মান। এখন অনেকে বই থেকে দূরে। আমরা যুগের সঙ্গে খাপ খাইয়ে এগিয়ে চলেছি। হাতে স্মার্ট ফোন, কম্পিউটার, এআই এসেছে। তাতে কি বই পড়ার ঝোঁক কমেছে। আমার বই আমি হাতে লিখি। আমি ছোটখাটো লিখি। খুব অপ্রতুল। আমি জ্ঞানীগুণী মানুষ নেই। আমি কম গুরুত্বপূর্ণ মানুষ।’
গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় এবং সভাপতি সুধাংশুশেখর দে জানিয়েছেন, এবছর কলকাতা বইমেলার ফোকাল থিম কান্ট্রি আর্জেন্টিনা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আর্জেন্টিনার বিশিষ্ট সাহিত্যিক গুস্তাবো কানসোব্রে এবং আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউসিনো।
