অভিযুক্তদের পক্ষে আইনজীবী স্যামসন আদালতে বলেন, এই মামলায় সিজার কীভাবে করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা দরকার। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-তে সিজারের ক্ষেত্রে যে নির্দিষ্ট নিয়ম বলা রয়েছে, তা আদৌ মানা হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, সিজার লিস্টে অভিযুক্তদের সই রয়েছে কি না তা আদালতের দেখা উচিত।
advertisement
কিডনির সমস্যা ফুটে ওঠে পায়ে! এই ৫ লক্ষণ সম্পর্কে এখনই ‘সজাগ’ হন, আপনার শরীরেও দেখা দিচ্ছে কি?
আইনজীবীর দাবি, ঘটনার নেপথ্যে পরিকল্পনা নয়, বরং প্ররোচনার বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁর মতে, যদি এটি পূর্বপরিকল্পিত ঘটনা হত, তাহলে শহরের একাধিক জায়গায় একই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারত। কিন্তু তা হয়নি। যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে প্ররোচনা দেওয়া হয়েছিল বলেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে আদালতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার দাবিও জানানো হয়। অভিযোগ, একটি বাস আটকানোর পর হঠাৎ করেই ইট ছোড়া শুরু হয়। সেই ঘটনায় বিজেপির মহিলা মোর্চার এক নেত্রী আহত হন। তাঁর চোখে আঘাত লাগে বলেও দাবি করা হয়েছে। ওই নেত্রী পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করেছেন বলে জানানো হয়।
অন্যদিকে প্রতিরক্ষার পক্ষে আইনজীবী দেবাঙ্গ আদালতে বলেন, যেদিন এই ঘটনা ঘটে সেদিন ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভা ছিল। সেই কারণে হাজারের বেশি পুলিশ কর্মী রাস্তায় ডিউটিতে ছিলেন। আগে থেকেই জানা ছিল বিজেপির মিছিল কোন পথ দিয়ে যাবে। তাই ঘটনাস্থলেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা উচিত ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
আইনজীবী ব্রজেশ ঝাঁও প্রশ্ন তোলেন গ্রেফতারের পদ্ধতি নিয়ে। তাঁর দাবি, অভিযুক্তদের কোথা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি ঘটনার আগের মুহূর্তের ভিডিও আদালতের সামনে তুলে ধরার কথাও বলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি বাস যাওয়ার সময় সেটি আটকানো হয় এবং তারপরই ইট ছোড়া শুরু হয়, যার জেরে এক মহিলা গুরুতরভাবে আহত হন।
এই মামলায় পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই এখন নজর।
