অফিস টাইম শুরু হওয়ার মুখে এক্সাইড মোড়ের একটি বহুতলে আগুন। চারতলা থেকে পাঁচ তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কীভাবে আগুন লাগল, ফরেনসিক পরীক্ষা ও দমকলের তদন্তের পরই বোঝা যাবে। তবে উঠে আসছে বেশ কিছু সম্ভাবনা,
সম্ভাবনা ১
ইলেকট্রনিক্সের সামগ্রীতে ঠাসা ছিল ওই বহুতল ৷ সেখান থেকেই আগুন ছড়াতে পারে ৷
সম্ভাবনা ২
advertisement
এসিতে শট সার্কিট থেকে আগুন
আগুন নেভাতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করেছে দমকল। মূলত তাদের চেষ্টাতেই আগুন অন্যত্র ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। আগুনের তীব্রতা বাড়লে বহুতলের একটি অংশ ভেঙে পড়ে।
দমকলকর্মীরা মাস্ক পরে কাজ করলেও হাইড্রোলিক ল্যাডার আনা হয়নি। এমন ঘটনায় দ্রুত আগুন নেভাতেই তো কোটি কোটি টাকা খরচে ল্যাডার কেনা হয়েছে। প্রয়োজনের সময় সেই ল্যাডার ব্যবহার হচ্ছে না কেন? বাগড়ি মার্কেট কিংবা গড়িয়াহাটের ঘটনাতেও একই অভিযোগ উঠেছিল।
আগুন লাগার সময় বহুতলে যাঁরা ছিলেন, তাদের নিরাপদে বের করায় প্রাণহানি বা বড় ক্ষতি হয়নি। আর এখানেই বহুতলের অগ্নি নিরাপত্তা নিয়েও বড়সড় প্রশ্ন। বহুতলে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংস্থার দফতর। ঠাসা বৈদ্যুতিন সামগ্রী। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে এনিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন দমকলমন্ত্রী। আগুন লাগার পর জওহরলাল নেহেরু ও চৌরঙ্গী রোডের ব্যাপক যানজট হয়।
