ফুসফুসের সংক্রমণ, সাইনাস, টনসিল, নাক কান গলার ইনফেকশন ঠেকানোর অব্যর্থ ওষুধ হিসাবে এমক্সোসিলিন ৫০০ মিলিগ্রাম ও ক্লভুলানিক এসিড ১২৫ মিলিগ্রামের এই ওষুধ চিকিৎসকরা দিয়ে থাকেন৷ সেখানেও মিলেছে জালের হদিশ৷
advertisement
এছাড়াও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, তীব্র বুকে যন্ত্রণা প্রশমন, রক্তে কোলেস্টেরলের নিয়ন্ত্রণ, গ্যাস বুক জ্বালা অম্বলের ওষুধ সেগুলি সঠিক মানের নয় বা নিম্নমানের৷ রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই তথ্য জানিয়েছে৷
প্রসঙ্গত, গত বছরেই জাল ওষুধের রমরমা রুখতে কড়া পদক্ষেপ নেয় কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল৷ জাল ওষুধ নিয়ে অভিযোগ জানাতে টোল ফ্রি নম্বর চালু করা হয়৷ QR কোড-সহ টোল ফ্রি নম্বরে সরাসরি ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। টোল ফ্রি নম্বর ১৮০০১৮০৩০২৪। সব রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলকে চিঠি দিল সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন। ওষুধের দোকানে টোল ফ্রি নম্বরের পোস্টার লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাল ওষুধের থেকে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয়েছে,অথচ অভিযোগ জানাবেন কোথায়? সেই নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা ও দুশ্চিন্তা ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে! সেই সমস্যা সমাধানেই কিউআর কোড-সহ টোল ফ্রি নম্বর চালু করে সিডিএসসিও বা সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন।
টোল ফ্রি নম্বর ১৮০০১৮০৩০২৪। প্রত্যেকটি রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলকে চিঠি দিয়ে জানান সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন। রাজ্যের বিভিন্ন ওষুধ বিক্রির রিটেলার ও ডিস্ট্রিবিউটারদের অবিলম্বে দোকানে পোস্টার লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পোস্টারে কিউআর কোড এবং টোল ফ্রি নম্বর থাকতে হবে, যাতে সাধারন মানুষের কোনও অভিযোগ থাকলে, তা সরাসরি জানাতে পারেন৷
