রাজ্য সরকারের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের সল্টলেকের সেক্টর ফাইভের দফতরে বৃহস্পতিবার সকালে হানা দেয় ইডি। দিল্লি থেকে ওই অভিযানের জন্য বিশেষ দল এসেছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর। ইডি-র আধিকারিকেরা আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতেও যান। সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। ইডি সূত্রের খবর, কয়লাপাচার কাণ্ডে দিল্লিতে নথিভুক্ত এক পুরনো মামলার জন্যই এই অভিযান। ওই মামলায় বেশ কিছু লেনদেনের সূত্রে আইপ্যাকের নাম এসেছে বলে ইডি সূত্রের খবর।
advertisement
আরও পড়ুন- সপ্তাহভর শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং, রাজ্যে জাঁকিয়ে ঠান্ডা আর কত দিন থাকবে? জেনে নিন
শেক্সপিয়র সরণী এলাকার লাউডন স্ট্রিটের একটি বহুতল আবাসনে এদিন প্রথমে প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেয় ইডি ৷ মূল ফটকটি বন্ধ ছিল। ভিতরে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং কলকাতা পুলিশের অফিসারদেরও। ইডি সূত্রে খবর, ওই আবাসনের থার্ড ফ্লোরে থাকেন প্রতীক। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালান ইডি-র আধিকারিকরা।
সেক্টর ফাইভে I-PAC-এর যে অফিস রয়েছে, সেখানেও তল্লাশি শুরু হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ এই তল্লাশি কেন? ইডি সূত্রে খবর, দিল্লির ইডি আধিকারিকরা গতকাল রাতে কলকাতা পৌঁছন। সেই দিল্লি জোনের অফিসাররাই এদিন কলকাতার তিনটি জায়গায় তল্লাশি শুরু হয়েছে। প্রতীকের বাড়ি, আই-প্যাকের অফিসের পাশাপাশি, পোস্তায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চলছে।
প্রতীক জৈনের বাড়ির সামনে থেকেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করে মমতা বলেন, “উনি দেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না ! আমার দলের নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করাচ্ছেন! আমি প্রতীককে ফোন করেছিলাম। ও আমার দলের ইনচার্জ। ওরা হার্ড ডিস্ক, ফোন সব নিয়ে নিচ্ছিল।”
আরও পড়ুন- ঠান্ডা এখনই ছেড়ে যাবে না, জেনে নিন কেন শীত এবার দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে
আরও পড়ুন– আমেরিকায় অভিবাসনবিরোধী অভিযানে ভয়ঙ্কর কাণ্ড ! ICE এজেন্টের গুলিতে মৃত্যু মহিলার
কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়েই ইডি ওই অভিযান শুরু করেছে। আচমকা ওই অভিযানে আইপ্যাকের পুরো টিমই খানিকটা হতচকিত হয়ে পড়েছিল। ভোরে যখন অভিযান শুরু হয়, তখন স্বাভাবিক ভাবেই আইপ্যাকের দফতরে বিশেষ কেউ ছিলেন না। ছিলেন নাইট ডিউটিতে কর্মরত কয়েক জন। তাঁদের সামনেই অভিযান শুরু হয়। সেক্টর ফাইভের একটি বহুতলের ১২ তলায় আইপ্যাকের দফতর। ওই তলাটি ‘সিল’ করে দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। ফলে ওই দফতরে ঢোকা বা বেরোনো আপাতত বন্ধ।
