প্রায় এক ঘন্টা হয়ে গেল জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যের সব জেলাশাসক তথা ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার ও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক চলছে।
‘সাত সমুদ্র পেরিয়ে তোমায় অনুসরণ করেছি’! রাঁচির কনে ও জার্মানির বরের প্রেম কোথায় গড়াল জানেন?
advertisement
তিনি নির্দেশ দেন, কোনওভাবেই যেন অপাসঙ্গিক নথি আপলোড না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখতে হবে। কমিশনের তরফে ‘ভাল মানের কাজ’ চাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই যেসব আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে, সেগুলিও পুনরায় যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে ভোটার তালিকায় অনৈতিকভাবে কোনও নাম সংযোজন না হয় বা বৈধ নাম বাদ না পড়ে।
কমিশন সূত্রে খবর, বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আপনারা ভাববেন না যে পালিয়ে যেতে পারবেন। আজ না হোক, আগামী দু’বছর পরেও কমিশন ব্যবস্থা নিতে পারবে।” এসআইআর-এর কাজে গাফিলতি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না বলেই স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে উঠে আসে, একাধিক জায়গা থেকে ভুল নথি আপলোডের ঘটনা সামনে এসেছে। কোথাও ডকুমেন্ট হিসেবে সংবাদপত্র আপলোড করা হয়েছে, আবার কোথাও পাসপোর্ট আপলোড করার কথা থাকলেও তার বদলে ফাঁকা কাগজ আপলোড করা হয়েছে বলে অভিযোগ। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসকদের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট কিছু ভুল নথির উদাহরণ দেখিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয় বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।
আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় নথিপত্র সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় স্তরে জেলাশাসকদের খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাঁদের কাছে প্রয়োজনীয় নথি নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন সুপারিশ করে বিষয়টি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে পাঠাবে বলে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, কাজের মান বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটার তালিকায় যেন অনৈতিকভাবে কোনও নাম অন্তর্ভুক্ত না হয় বা বৈধ নাম বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখতে হবে। কমিশনের নির্দেশ, প্রতিটি নথি যাচাই করে নির্ভুল তথ্য আপলোড নিশ্চিত করতে হবে।
প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই ভার্চুয়াল বৈঠকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ উপস্থিত ছিল। বৈঠকে রাজ্যের সব জেলাশাসক তথা ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অংশ নেন বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।
